‘বেকারীতে কিছু রুটি পুড়ে যায়, ক্লিনিকেও কিছু রোগীর মৃত্যু স্বাভাবিক!’ (ভিডিওসহ)

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘বেকারীতে অনেক রুটি বানাতে গেলে কিছু যেমন পুড়ে যায়। একই ভাবে অনেক মানুষকে সেবা দিতে গেলে কিছু মানুষ মারা যেতেই পারে। এটাইতো স্বাভাবিক ব্যাপার।’
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ডনচেম্বারের সেলিনা মেমরিয়াল হাসপাতালে ‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগী মৃত্যুর অভিযোগের পর এমন ব্যাখা দিচ্ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলীনূর শরীফ।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ওই ক্লিনিকে ‘ভুল চিকিৎসায়’ একজন প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে।

নিহত ওই রোগীর নাম খাদিজা আক্তার। সে বরিশাল জেলার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী। তারা পশ্চিম তল্লা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।

নিহত খাদিজা আক্তারের শাশুড়ি রাশিদা বেগম জানান, খানপুর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসলে ভালো চিকিৎসা দেওয়ার পরামশ দিয়ে সেলিনা মেমরিয়াল হাসপাতালে পাঠান ডা. জাহাঙ্গীর আলম। পরে ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্লিনিকটিতে ভর্তি করা হলে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে অপারেশ করেন ডা. জাহাঙ্গীর ও ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন। ব্যর্থানাশক ইঞ্জিকশন দিয়ে চলে গেলে রাত ১২টায় দিকে খিচুনী উঠে। পরে রাতেই যে কোন সময় মৃত্যু হয় খাদিজার। রোগীর কোন সাড়া না পেয়ে সকালে মৃত লাশকেই দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে পাঠান। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, রোগী মৃত্যুর নিয়ে হাসপাতালের কারো কোন সংশ্লিষ্টতা নেই মর্মে একটি ‘না দাবি’ পত্রে স্বাক্ষর নিয়ে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলীনূর শরীফ জানান, রোগী এখানে মারা যায়নি। রোগীকে আমরা ঢাকায় পাঠিয়ে দিলে, সেখানেই মৃত্যু হয়।

তবে, বিষয়টি মিথ্যে দাবি করে মৃত খাদিজার ভাশুর পত্নী বলেন, খাদিজা নারায়ণগঞ্জের সেলিনা মেমরিয়াল হাসপাতালেই মারা যায়। আমরা এখন লাশ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

0