বোমা সন্ত্রাসের ১৪ বছর, শেষ করা যায়নি বিচারিক কাজ

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ:
২০০৫ সালের এই দিনে (১৭ আগস্ট) সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও সিরিজ বোমা বিস্ফোরিত হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণের দু’টি স্থানে ওই বোমা বিস্ফোরণের ১৪ বছর কেটে গেছে। আদালতে দেয়া হয়েছে চার্জশিট। কিন্তু এখনও বিচার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

দেশের মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাড়া সবগুলো জেলাতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট একই সময়ে । ২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এখনো চলছে মামলার বিচারিক কার্যক্রম। চলছে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের কাজ।

তবে, জেলা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসলি (পিপি) এড. ওয়াজেদ আলী খোকন জানালেন সাক্ষীদের সময়মতো উপস্থিত করা যাচ্ছে না। এজন্য বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় মামলা থাকায় তাদেরও সময় মতো হাজির করা যাচ্ছে না।

জেএমবি ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জে দুপুর ১২টার দিকে আদালত, জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণসহ শহরের একাধিক স্থানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। ওই নারায়ণগঞ্জে বোমা হামলার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

সেই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলায় প্রথমাবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করা হয়। পরবর্তীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) দায় স্বীকার করায় এ সংগঠনের প্রধানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে ২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। এতে অভিযুক্ত ১৪ জন হলেন- জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলাভাই, সাইফুল্লাহ, আকতার হোসেন, আবুল হোসেন, আতাউর রহমান সানি, তানভীর ওরফে জিয়াউর, ওবায়দা ওরফে জিয়াউল, রবিউল ইসলাম, আরিফুল, ফতুল্লার শাসনগাঁও এলাকার আবদুল আজিজ, আতাউর রহমান, রকিবুল ইসলাম ও মাজু মিয়া। এসব আসামির মধ্যে আবদুর রহমান, বাংলাভাইসহ প্রথম পাঁচজনের মৃত্যুদ- ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। অন্য আসামিরা গ্রেফতার রয়েছেন।

0