মাকে বাঁচাতে প্রাণ হারা‌লো ছেলে, ক‌য়েক ঘন্টার ব্যবধা‌নে মাও গে‌লো ম‌রে

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার ছুরিকাঘাতে ছেলের মৃত্যু হয়। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে এবার মাও মারা গেলেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকাল ৫টায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় এখনও নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী বাবা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহতরা হলেন সোহাগ (১৫) ও মা মনোয়ারা বেগম (৪২)। চিকিৎসাধীন রয়েছে ঘাতক বাবা হারেস মিয়া (৫৫)।

পুলিশ জানায়, ভোলাইলের গেদ্দারবাজার পরিবার নিয়ে শাহ আলমের ভাড়াটিয়া বাড়িতে বসবাস করেন হারেস। তাঁর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম স্থানীয় একটি মিনি গার্মেন্টে চাকরি করে আর ছেলে সোহাগও অন্য একটি গার্মেন্টে চাকরি করতো। হারেস তার স্ত্রীকে পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করে। এ নিয়ে প্রায় সময় তাদের সংসারে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। গত মঙ্গলবার গভির রাতে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে রাত ২টার দিকে হারেস মিয়ার হাতে থাকা দাঁড়ালো ছোরা দিয়ে তার স্ত্রীকে আঘাত করে। পরে মাকে বাঁচাতে যায় ছেলে সোহাগ। তখন হারেস তার ছেলে সোহাগকেও ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। পরে হারেস নিজের পেটে নিজেই ছুরিকাঘাত করে।

এদিকে, চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে সোহাগসহ হারেস ও মনোয়ারা বেগমকে নারায়ণগঞ্জ শহরের জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোহাগকে মৃত ঘোষণা করেন এবং এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বিকালে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।

সত্যতা স্বীকার করে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস.এম শামীম লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানান, দুপুরে হারেস(৪৫) এর ছুরির আঘাতে তার ছেলে সোহাগ(১৫) মারা যায়। তার আঘাতে জখম হওয়া স্ত্রী মনোয়ারা(৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। হারেস এখনো পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

 

আরও নিউজ পড়তে ক্লিক করুন

ফতুল্লায় পুত্রকে খুন ক‌রে পিতার আত্মহত্যার চেষ্টা

 

0