মাসব্যাপী মেলা উদ্বোধনীতে প্রতিমন্ত্রী: ময়মনসিংহের সাথে সোনারগাঁয়ের যোগসূত্র ঘটাতে চাই

0

সোনারগাঁও করেসপন্ডেট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনকে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে।

১৪ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকালে ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গনে মাসব্যাপী লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছিলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। এছাড়া সরকার শিল্পাচার্যের জন্মভূমি ময়মনসিংহে ১৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শিল্পাচার্যের সংগ্রহশালার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। আমরা চাই ময়মনসিংহের সাথে সোনারগাঁয়ের যোগসূত্র ঘটাতে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সোনারগাঁয়ে একজসময় মসলিন তৈরী হত। বর্তমানে মসলিনের হাত ধরে জামদানী তৈরী হচ্ছে। জামদানীর কারনে সোনারগাঁকে আন্তর্জাতিক কারুশিল্প শহর হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহ এর সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুর রহমান খাঁন, থানার ওসি মনিরুজ্জামান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার ফেন্সী, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম ও সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদ্য সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ওসমান গনি প্রমুখ।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব চলবে। এবারের মেলায় দেশের পল্লী অ ল থেকে ৬৪ জন কারুশিল্পী প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। তাদের জন্য ৩২টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নওগাঁ ও মাগুরার শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি, চট্টগ্রামের তালপাখা ও নকশি হাতপাখা, রংপুরের শত রঞ্জি, সোনারগাঁয়ের কাঠ ও পাটের কারু শিল্প, নকশিকাঁথা, বেত ও বাঁশের কারুশিল্প, নকশি হাতপাখা, সিলেট ও মুন্সিগঞ্জের শীতল পাটি, কুমিল্লার তামা-কাঁসা পিতলের কারুশিল্প, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কারুপণ্য, কিশোরগঞ্জের টেরা কোটা শিল্প, নাটোরের শোলার মুখোশ শিল্প, মুন্সিগঞ্জের পটচিত্র ও ঢাকার কাগজের হস্তশিল্পের মোট ১৫৪টি স্টল থাকছে।

0