মেয়রের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলো ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সেই সন্ত্রাসী

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নরসিংদীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন মিঠুনকে কাঞ্চন পৌরসভার আওয়ামীলীগের মেয়র রফিকুল ইসলাম রফিকের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই সন্ত্রাসীদের আত্মগোপনে থাকার জন্য সহযোগীতার অভিযোগ উঠেছে মেয়রের ভাই শফিকুল ইসলামের দিকে।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নরসিংদীর অন্যতম অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন মিঠুনকে কাঞ্চন এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে, রাতে আসামীকে নিয়ে নরসিংদীতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মিঠুন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় জানান।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ডজনেরও বেশি মামলার আসামী মিঠুন

পুলিশের দাবি, নিহত মিঠুন চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র বিক্রেতা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকসহ এক ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার স্থানীয় একটি সূত্র জানান, কাঞ্চন পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম রফিকের বাসা থেকে নরসিংদীর ওই ডজনেরও বেশি মামলার আসামী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ওই সন্ত্রাসীকে গুলি করে ঘরের তালা ভাঙ্গা গ্রেপ্তার করা হয়। মেয়রের ছোট ভাই শফিকুল ইসলামের সহযোগীতায় গত ৩ মাস ধরে ওই সন্ত্রাসীরা বাসাতে নাকি আত্মগোপন করতেন বলে জানা গেছে।

অস্ত্রসহ মিঠুনের তিন সহযোগী আটক

তবে, ব্যাপারটি নিয়ে কাঞ্চন পৌরসভার আওয়ামীলীগের নতুন মেয়র রফিকুল ইসলাম রফিক লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমি একটি অফিসে শুক্র ও শনিবার বসি। গতকালকেও (৩০ আগস্ট) একই ভাবে বসেছিলাম। এমন সময় কিছু লোক আমার অফিসের ভবনে দৌড়ে উঠে। আমি বেড়িয়ে পরিচয়র জানতে চাইলে ওই ব্যক্তিরা পুলিশের সদস্য বলে জানান। পরে আমার পরিচয় জানতে চাইলে আমিও পরিচয় দেই। এরই মধ্যে কাঞ্চন পৌরসভার পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে তিনিও ঘটনা স্থালে আসেন। আমার ও ফাড়ি ইঞ্চাজের সহযোগীতায় ওই সন্ত্রাসী ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ। তবে, গুলি করে ঘরের দরজার তালা ভাঙ্গার বিষয়টি মিথ্যা।

এদিকে, নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার জানান, শুক্রবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন মিঠুন (৩৫)সহ তার সহযোগী সোহেলকে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে রাতে মিঠুকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য নরসিংদীর টাটাপাড়ায় অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় আগ থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মিঠুনের সহযোগীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। একইসঙ্গে সহযোগী সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মিঠুন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় অস্ত্রসহ মিঠুনের তিন সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত নিউজ পড়তে ক্লিক করুন

না.গঞ্জে আটক, নরসিংদীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

0