মেয়েকে ধর্ষণ, মাকে হত্যা: শিক্ষক ১ দি‌নের রিমান্ডে

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বন্দরে ১৪ বছর বয়সের মেয়েকে ধর্ষণ ও মাকে হত্যার অভিযাগে এক শিক্ষককে ১ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো, কুমিল্লা জেলার জগৎপুর এলাকার মৃত. আ. হামিদ এর ছেলে মো. গোলাম মোস্তফা।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে উঠায় পুলিশ। পরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুন এর আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ২০১৮ সালে ভিকটিম নাঈমা রহমান থাইল্যান্ডের প্রবাসী এমএ রহমানের স্ত্রী। র্দীঘ ১২ বছর ধরে বন্দর নোয়াদ্দা হাসানুল হকের বাসার ২য় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। আসামিরা ৩য় তলা থাকতেন। দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ছিলো বিধায় ভিকটিমের মেয়ে রুপাকে (ছদ্মনাম) আসামির নিকট পড়াতে দেয়। রুপা ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী। রুপাবে পড়ানো অবস্থায় বাসায় কেউ না থাকলে খালী বাড়ী পেয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ৭/৮ বার ধর্ষণ করে। এছাড়াও ভিকটিম নাঈমা রহমান বাসায় না থাকলে ফোন দিয়ে দেখা করার জন্য বাসায় চলে আসত। ফোনে বিভিন্ন খারাপ ছবি ও ভিডিও পাঠাতো। সর্বশেষ শনিবার (২৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮ টার সময় পড়ানোর সময় প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি প্রদান করে। এবিষয়টি নাঈমা বেগম জানতে পারে এবং আসামি মো. গোলাম মোস্তফার সাথে দ্বন্দ্ব হয়। তারপর থেকে আসামির নিকট পড়া বন্ধ করে দেয় ও কোথাও গেলে মেয়েকে বাসায় তালা দিয়ে রেখে যেত। এমতাবস্থায় বাদী এমএ রহমান চলিত বছরের (২ আগস্ট) বিদেশে থাকে জানতে পারে তার স্ত্রী নাঈমা রহমানের মৃত্যুর সংবাদ। সংবাদ পেয়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি দেশে এসে মেয়ে রুপার মুখে ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন। এবং পরবর্তীতে আসামির বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৩(৯)১৯।

এবিষয়ে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল হাই বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বিধায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে, বিজ্ঞ আদালতের নিদের্শে আসামিকে ১ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

0