রমজানের শেষ জুমায় মসজিদে মসজিদে কান্নার রোল

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ইমাম মসজিদের মিম্বারে বসার আগেই পুরো মসজিদের কাতার গুলো কানায় কানায় পরিপর্ণ হয়ে গিয়েছে। বয়ান শুরুর পরে যারা এসেছেন, তাদের অবস্থান করতে হয়েছে সড়ক কিংবা মসজিদের অজু খানায়।

পবিত্র রমজানের শেষ শুক্রবার (৩১ মে) জুমাতুল বিদার আগেই এ চিত্র ছিলো নারায়ণগঞ্জের ডিআইটি মসজিদে। সিয়াম শেষ হয়ে যাওয়ার সতর্কতামূলক দিবস। মুসলমানদের কাছে জুমাতুল বিদার তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য সর্বাধিক। তাই নগরীর ফঁকিরতলা জামে মসজিদ ও উকিলপাড়া জামে মসজিদেও একই চিত্র ছিলো।

এরপর শুরু হয় ঈমামের বয়ান। ইমাম সাবেহ জুমাতুল বিদার তাৎপর্য তুলে ধরেন মুসুল্লিদের মাঝে। কুরআনুল কারিমে এই দিনটিকে ইয়াওমুল জুমুআ নামে নামকরণ করা হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় হিজরতের পর এই দিনটিকে জুমার দিন নামকরণ করেছেন এবং মদিনায় যাওয়ার সময় কুবা নামক স্থানে জুমআ`র নামাজ আদায় করেছিলেন।

অর্থাৎ জুমাআতুল বিদা বলা হয় পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমআ`কে। এমনিতেই জুমআ`র দিনটি সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে অধিক ফযিলতের। রমজান মাসের শেষ জুমআ`র নামাজের আলাদা ফযিলত ও মর্যাদা রয়েছে।

এরপর যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জুমাতুল বিদা পালন করেছে মুসলিম সম্প্রদায়। নামাজ শেষে মোনাজাতে তাঁরা আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করেন। ডিআইটি মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে জুমাতুল বিদায় দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। রমজানের শেষ জুমায় মসজিদে মসজিদে মুসলমানদের কান্নার রোল পরে যায়।

0