রিক্সা গতি কমাচ্ছে নগরবাসীর

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: চাষাঢ়া থেকে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে দ্রুত পৌছাতে চাইছেন আফজাল হোসেন নামের ফতুল্লার এক রং সুতার ব্যবসায়ী। লেগুনাতে দেড়ি হবে ভেবে উঠলেন অটো রিকশায় (সিএনজি)। শেষ পর্যন্ত সিএনজি নিয়েও লাভ হয়নি তার। বসে থাকতে হয়েছে ঘন্টা খানেক।

একই অবস্থা ২নং গেইটের ব্যাংকে আসা আরিফুজ্জামানেরও। ব্যাংক থেকে বেড়িয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে বসেই চাষাঢ়া পাড়ি দিয়েছেন প্রায় আধ ঘন্টায়। এসেছিলেনও একই ভাবে।

শুধু আফজাল হোসেন ও আরিফুজ্জামানই নয়, তাদের মতোই হাজারও মানুষ প্রতিদিন বঙ্গবন্ধু সড়ক ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট করছেন।

নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তার দাবি, বিপুলসংখ্যক রিকশা এখানে যানজটের বড় কারণ।

সরেজমিনে বঙ্গবন্ধু সড়কে গিয়ে দেখা যায়, রিক্সার জন্য আলাদা ল্যান্ড করা হলেও সকল স্থানেই রিক্সা দখল করে চলাচল করছে। দ্রুত গতির গাড়ি গুলোও রিক্সার জন্য চলাচল করছে খুবই অল্প গতিতে। এতে চরম দূর্ভোগ পৌহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, ১৯ হাজার ৫‘শ ২৬ টি রিক্সা রয়েছে। মূল শহরে ১০ হাজার, সিদ্ধিরগঞ্জে ৫ হাজার ও বন্দর উপজেলায় ৩ হাজার রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি রিকশা সড়কে চলছে। অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশন মাঝে মধ্যে অভিযান চালায়। তবে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছে না প্রভাবশালী একটি মহলের কারণে।

সহকারী পুলিশ সুপার সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করছে। মাহে রমজানের যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের জনবল বাড়ানো হয়েছে। ঈদের সাত দিন আগে আরও বাড়ানো হবে।

গত ১৬ মে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘যানজট নিয়ন্ত্রণে সড়ক বা মহাসড়কে যা যা করা দরকার, আমরা করছি। ঈদ পর্যন্ত পুলিশ সড়কে থেকে তা করবে।’

১৫৪
0