লকডাউন এরিয়াতেও আড্ডাবাজী!

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মেডিকেল এমার্জেন্সি আর খুব দরকারি না হলে বের হওয়ার কথা নয়, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়াতেও আছে নিষেধাজ্ঞা; অথচ, দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। স্বাভাবিক অন্য দশ দিনের মতোই দিচ্ছেন আড্ডা। গল্পে মজেছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতের এ চিত্র নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ডের নন্দিপাড়ার।

এলাকাটির দুই বাসিন্দার করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর গত ৫ এপ্রিল ৫ শতাধিক পরিবারকে লকডাউন ঘোষণা করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। মেডিকেল এমার্জেন্সি কিংবা যে কোন প্রয়োজনে সাহায্য করার আশ্বাস দেয়া হয় সিটি করপোরেশন থেকে।

লকডাউন এলাকা থেকে আমাদের একজন সংবাদকর্মী জানান, সিটি করপোরেশন লকডাউন নির্ধারিত এলাকায় কেউ প্রবেশ কিংবা বাহির হচ্ছে না। তবে, ভেতরের কেউ মানছেনা এ নির্দেশনা। সুযোগ পেলেই ৪-৫ জন একত্রে বসে আড্ডা দিচ্ছেন। কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধদের মাঝেও এ প্রবণতা দেখা গেছে। বিতরের স্বেচ্ছাসেবীরা আসলেই সটকে পরছেন। কিছু সময় পর আবারও রাস্তায় ফিরে আসছেন।

নারায়ণগঞ্জের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহতা নিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সোমবার ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের সংক্রমণ আমরা নিশ্চিৎ করতে পেরেছি তাদের ১২ জন নারায়ণগঞ্জের। নারায়ণগঞ্জে ক্লাস্টার (একই এলাকায় কম দূরত্বে একাধিক আক্রান্ত) হিসেবে চিহ্নিত করেছি। কেউ আক্রান্ত হলে সাথে সাথেই তাদের কন্টাক্ট ট্রেসিং শুরু করি। এ পর্যন্ত তাদের কন্টাক্টে যতজন পাওয়া গিয়েছে তাদের সবাইকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে এলাকা লকডাউন করা হচ্ছে।’

নন্দিপাড়ায় করোনা আক্রান্তের ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ ভেবেই আমাদের লকডাউন করেছে। আমি লকডাউন মেনে ঘরেই আছি। কিন্তু লাভ কতটুকু হচ্ছে? যদি আমার পাশের ঘরেরই কেউ বিভিন্ন মানুষের সাথে মিশে আবার আসে।

0