লাঙ্গলবন্দ প্রকল্প পরিদর্শন কর‌লেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: লাঙ্গলবন্দ মহাষ্টমী পূন্যস্নাণ উৎসবের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে প্রত্যেককে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহব্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। একই সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত বুধবার (২৯ জুলাই) বন্দরে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে এসে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন সার্বক্ষনিক তার সঙ্গে থেকে প্রকল্পটির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সেলিম রেজা, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক , বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুক্লা সরকার।

লাঙ্গলবন্দ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ এর প্রধানগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী (সড়ক ও জনপথ), নির্বাহী প্রকৌশলী (এল জি ই ডি) ও নির্বাহী প্রকৌশলী (গণর্পূত বিভাগ) তাদের স্ব স্ব প্রকল্পের বিস্তারিত বর্ণনা ও লে-আউট প্ল্যান সচিবের নিকট উপস্থাপন করেন ও তাদের র্কাযক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, হিন্দু ধর্মালম্বীদের মহাষ্টমী পূন্যস্নাণ সমস্যাসমূহ নিরসন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের ১ জুন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সংস্থা তাদের উন্নয়ন প্রকল্প প্রনয়ন করেন যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১২০৭৪ লাখ টাকার অনুমোদিত প্রকল্প রাস্তা, কালভার্ট, স্নাণঘাট, গাড়ী পার্কিং, গণসৌচাগার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলমান। এই প্রকল্পে আগত পূন্যর্থীদের জন্য মন্দির নির্মাণ ও সংস্কার, তাদের অবস্থানের জন্য ডরমেটরি ও পোশাক পরিবর্তন কক্ষ ও নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ রয়েছে।

এছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ আগত দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধার জন্য লাঙ্গলবন্দ-কাইকারটেক-নবীগঞ্জ সড়ক প্রসস্তকরণের কাজ হাতে নিয়েছে যা বাস্তবায়নের জন্য ২১.৮/৩ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব ভূমি মন্ত্রণালয়েন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তর প্রকল্প এলাকার উন্নয়নের জন্য একটি খসড়া মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। উক্ত মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী অষ্টমী পূন্যস্নাণকে কেন্দ্র করে লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ব্রক্ষ্মপুত্র নদের তীরে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নতুন মন্দির, ঘাটচত্বর, যাদুঘর, নদীর ওপরে পায়ে হাটার অস্থায়ী ভাসমান ব্রীজ, অ্যাম্ফিন থিয়েটার, হসপিটাল, ওয়াচ টাওয়ার, বোট ক্লাব, রেস্ট হাউজ, পুলিশ বক্স, অফিস বিল্ডিং, ৩-তারকা মানের হোটেল, পার্কিং কমপ্লেক্স, সাইড রোড ইত্যাদি কার্যক্রম সম্বলিত ১১০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যযে ডিপিপি প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। উক্ত ডিপিপিতে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী পর্যটনের সকল আধুনিক সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে মর্মে জানানো হয়।

 

নিউজ পড়তে ক্লিক করুন

২৬০ কোটি টাকার ‘লাঙ্গলবন্দ-মিনারবাড়ী’ প্রকল্প অনুমোদন

0