শবে বরাত, আল্লাহ সন্তুষ্টি হউক করোনা মুক্তির সোপান !

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: শাবান মাস গণনা শুরু হবে শুক্রবার থেকে। আর সেই হিসেব অনুযায়ী ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। মুসলমান জাতির নিকট একটি মহিমান্বিত রজনী পবিত্র শবে বরাত। বান্দার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট দিন ও রাত আল্লাহ তায়ালা দান করেছেন। দিনের মধ্যে ঈদ-উল-ফিতর, ঈদে মিলাদুন্নবী (স.), আশুরার দিন, আরাফার দিন, জুমার দিন। রাতের মধ্যে শবে কদর, শবে মিরাজ, শবে বরাত, দুই ঈদের রাত।

শাবান মাসের মধ্যবর্তী রজনী তথা ১৪ তারিখ দিবাগত রাত্রি পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত।

রাসূল (সা.) রজব, শাবান মাসের অত্যধিক গুরুত্ব ও তাৎপর্যের প্রতি লক্ষ রেখে ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রাজাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রামাদান’- এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়তেন এবং উম্মতকে পড়ার জন্য অনুপ্রাণিত করতেন।

যার অর্থ হচ্ছে- ‘হে আল্লাহ! আমাদেরকে রজব ও শাবানের সকল বরকত দান করুন এবং রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।’

হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রা.) বলেছেন- ‘আমি রাসূল (সা.)-কে রমজান ব্যতীত অন্য কোনো মাসে পূর্ণ এক মাস রোজা রাখতে দেখিনি। কিন্তু তিনি শাবান মাসে সবচেয়ে বেশি নফল রোজা রেখেছেন।’ (সহি মুসলিম)।

শাবান মাসের ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে রাসূল (সা.) বলেছেন- ‘রজব আল্লাহর মাস, শাবান আমার মাস এবং রমজান হলো উম্মতের মাস’।

বিভিন্ন হাদিসে শবে বরাতের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আয়শা (রা.) বর্ণনা করেন- কোনো এক শাবানের অর্ধরাতে রাসূল (সা.)-কে বিছানায় পাওয়া যাচ্ছিল না। খুঁজে দেখা গেল তিনি জান্নাতুল বাকিতে কবর জিয়ারত করছেন। (সহি মুসলিম)।

অতএব, বেশি পরিমানে নফল ইবাদতের মাধ্যমেই আল্লাহর নৈকট্য অর্জন সম্ভব।

প্রবাদের ভাষায় , জিন্দেগী বন্দেগী। অর্থাৎ, আমাদের জীবনের প্রতিটি মূহুর্তেই মহান আল্লাহকে স্মরণ করে তার নৈকট্য হাসিল করা উচিত। আর করোনার এই মহামারী সময়ে সকলেরই উচিত মহান আল্লাহকে খুশি করা। যাতে করে বিশ্বের প্রতিটি জনগণ মহামারি নভেল করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে।

0