শহিদুল্লার ফাঁদ: ধর্ষণের চেষ্টার মামলার পর মুখ খুলছে স্থানীয়রা

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে ধর্ষণ চেষ্টাসহ, নারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠছে সোনারগাঁয়ের শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন স্থানীয়রা।
সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের জিয়ানগর গ্রামের আলী মিয়ার ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদুল্লাহ। যার মূল পেশা আদম ব্যবসা (দালাল)। কথায় কাজে প্রতারণা আর ঠকঁবাজি।

জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে শহিদুল্লার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন ৩৫ বছর বয়সী এক নারী। ওই মামলায় অভিযোগ আনা হয়, ছয়মাস পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে ওই নারীকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব দেয় শহিদুল্লাহ। এরপর এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি করে দুবাই পাঠাতে। শহিদুল্লার কথা মতো দুবাই যেতে অগ্রিম ৮০ হাজার টাকার প্রদান করে। ৩ মাসেও তাকে বিদেশ পাঠাতে না পেরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই নারী শহিদুল্লার বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে টাকা দিতে অস্বীকার করে ও কুপ্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে চরথাপ্পার মেরে বিছানায় ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ওই নারীর চিৎকার করতে থাকে। তাতে শহিদুল্লাহ হুমকী দিয়ে নারীকে ঘর থেকে বের দেয়।

পিরোজপুর ইউনিয়নের এক নারী সদস্য গণমাধ্যমকে জানান, শহিদুল্লার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ঘটনায় শালিস করা হয়েছে। শহিদুল্লার তার ছোট ভাইয়ের বউয়ের সাথেও ঝামেলা করেছে। এ নিয়ে তার ছোট ভাইয়ের বউ আমাদের কাছে অভিযোগ করলে তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে শহিদুল্লাহ। পরে আমরা সেটিও শালিস করেছিলাম। শহিদুল্লাকে যটটুকু চিনি সে ভালো লোক না।

সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) আহসান উল্লাহ জানান, এখানো আদালত থেকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলার নথিপত্র আসেনি। আদালতের নির্দেশ অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।