শিক্ষকদের ডিসি ‘বসে বসে সরকারী বেতন ভোগ করবেন, তা হবে না’

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা (মশিগশি প্রকল্প) কার্যক্রম এর ৫ম পর্যায় জেলা মনিটরিং কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষকদের সংবর্ধনা জানালেন সদ্য যোগদানকারী জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুর ৩ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সেলিম রেজা, নারায়ণগঞ্জ জেলার উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রেহেনা আকতার, নিবার্হী সহকারী কমিশনার (শিক্ষা শাখা) কাবেরী রায় সহ বিভিন্ন মন্দিরের কর্মরত কর্মকতাবৃন্দ।

সভায় মন্দিরের কর্মরত শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আপনারা হলেন শিক্ষা-ধর্ম-নৈতিকতা মশিগশি প্রকল্পের সারকথা। আপনারা নিধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করবেন। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন না করে বসে বসে সরকারী বেতন ভোগ করবেন, তা হবে না। মন্দিরভিত্তিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করবেন। সঠিক সময়ে সকলে কাজে আসবেন। বাচ্চাদের সাথে সব সময় ভালো ব্যবহার করবেন।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন আরও বলেন, প্রকল্পের নিয়োগকৃত শিক্ষকদের নিয়োগে অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদেরকে পি এইচ ডি ডিগ্রি করা লাগবে না, শিশুদের সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা প্রদান করতে হবে। এখন থেকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের নাম, শিক্ষকের মোবাইল নাম্বার ও লোকেশন, পাঠদান কর্মসূচি জেলা প্রশাসকের সর্বোচ্চ ফোরামের নজরদারিতে থাকবে।

তিনি বলেন, ৭ শত টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৪হাজার টাকা শিক্ষকের বর্তমান বেতন প্রদানের পরও প্রকল্পের কার্যক্রম ঠিকমতো পালন করছেন না। প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সর্বনিম্ন ৩০ জন শিক্ষার্থী থাকার কথা থাকলেও সরেজমিনে তা পাওয়া যাচ্ছেনা। অন্যদিকে শিক্ষকরাও পাঠদানে গড়িমসি করছেন।

সভা শেষে কৃতি শিক্ষক চম্পা, শ্যামলী, অর্চনা ও দীপককে ক্রেষ্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিন্দ্র কুমার মন্ডল, সহকারী প্রকল্প পরিচালক শ্যামল কুমার চক্রবর্তীসহ প্রমুখ।

0