শিশু সাদমানের উদ্ধারের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে সাদমান সাকি নামের এক দেড় বছরের শিশুকে তার মায়ের বুক খালি করে অপহরণ করে নিয়ে যায় র্দুবৃত্তরা।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) চাষাঢ়া শহীদ মিনারে সাদমান সাকিকে উদ্ধারের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করে সাদমানের পরিবার স্বজনরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সন্ত্রাস নির্মল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, সাদমান সাকির বাবা সৈয়দ ওমর খালেদ এপন, সাদমান সাকির মা হামিদা খালেদ লিপি, দৈনিক ইয়াদের সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, ইল্কেট্রেশিয়ান কল্যাণ কমিটির সভাপতি মো. নাজির খানসহ প্রমুখ।

প্রতীকি অনশন কর্মসূচিতে সাদমান সাকির মা হামিদা খালেদ লিপি বলেন, কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না কি বলবো। আজ ২৬ মাস যাবৎ তাকে খুজে পাচ্ছি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ, আমার সন্তানকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করে দেন।

এসময় বাবা সৈয়দ ওমর খালেদ এপন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলতে চাই। এই খুন-গুমের নগরী নারায়ণগঞ্জের দিকে একটু দৃষ্টি দেন। এই নারায়ণগঞ্জে ত্বকী হত্যা হয়েছে বিচার হয় নাই। যদি হতো তাহলে হয়তো সাকি অপহরণ হতো না। যদি ত্বকী হত্যার বিচার হতো তাহলে নারায়ণগঞ্জে অনেক গুম খুন কমে যেতো। ২৬ মাস হয়ে গেলো আমার সন্তান এখনো উদ্ধার হলো না। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে আমাদের জীবন শেষ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি গণতন্ত্রের মা। আপনি সফল রাষ্ট্র নায়ক। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান হিসেবে আপনার কাছে অনুরোধ আমার সন্তানকে আপনি ফিরিয়ে দেন।

তিনি প্রশাসনদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আড়াই মাস পরে তাঁরা পিবিআইকে মামলাটা দিলো। পিবিআই তদন্ত করলো। একমাস না যেতেই ঘটনার রহস্য তাঁরা উদঘাটন করেছিল। আমাকে বলেছিল যে, আপনার সন্তানকে যারা অপহরণ করেছে তাঁরা আমাদের নজরদারিতে আছে। তাঁরা আমাকে নামও বলেছে কারা কারা করেছে। আসামীদেরকে ধরার জন্য হানাও দিয়েছিল। কিন্তু একমাস পরে যখন রহস্য উদঘাটন করা হলো তখন বলে যে কেউ তাঁদেরকে ফোন দিয়েছে তদবির করেছে তাঁদের হাতে আর কিছুই করার নাই। কিন্তু কে তদবির করলো? আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে বিচার না পেলে অন্যদের কি হবে?

0