‘শেখ হাসিনার মুক্তি কথা বলায় আঙ্গুলে সুই ঢুকানো হয়’

0

শহর যুবলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন ভুইয়া সাজনু বলেছেন, জরুরী অবস্থা সময় শহর যুবলীগের সকল নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তি দাবিতে শামীম ওসমানের নিদের্শে সাইনবোর্ড-পূর্বাঞ্চল মহাসড়ক বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তখন শহর যুবলীগের আমি, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নিপু, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জুয়েলের নেতৃত্বে হাজারো নেতা-কর্মীরা জরুরী অবস্থা চলাকালে শেখ হাসিনার মুক্তি দাবির শ্লোগানে মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়। সে জের ধরে আমাকে চাষাড়া থেকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার মুক্তি দাবিতে শ্লোগান দেয়ার জের ধরে আমার ৫টি আঙ্গুলে সুই ঢুকিয়ে ঘন্টা পর ঘন্টা নির্যাতন করা করে হয়েছিল।

সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর (শহর) ও জেলা যুবলীগের যৌথ আয়োজনে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এর আগে চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বণার্ঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ২নং রেল গেইটস্থ আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অপর্ণ করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ বছর যাবৎ শেখ হাসিনার আদর্শে পরিচালিত শহর তথা মহানগর যুবলীগের কোন নেতাকর্মীর নামে কোন কলংক নেই। শহর ও মহানগর যুবলীগের ২০০৫ সাল থেকে আজকে পর্যন্ত প্রতিটি নেতা-কর্মীদের নিয়ে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শে কাজ করে যাচ্ছে।

সেই যুবলীগ এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন বার ক্ষমতা থাকার পিছনে রাজপথে কাজ করে যাচ্ছে, আগামীতে যাবে।

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি ইতিমধ্যে ২০২১ ও ২০৪১ ভিশন বাস্তবায়নে সকলকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ সময় জেলা যুবলীগ নেতা ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে জেলা মহানগর যুবলীগ পরিচালিত হচ্ছে, আগামীতেও হবে। সরকারের উন্নয়নের বার্তাগুলো মানুষের মাঝে তুলে ধরবে যুবলীগ। সেই নেতৃত্বে নিয়ে আগামী এমপি শামীম ওসমানের নিদের্শনা জেলা যুবলীগ এগিয়ে যাবে।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগ নেতা ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, মো. ইমন, যুবলীগ নেতা সানোয়ার হোসেন জুয়েল, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক, , মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন জুয়েল, নাসিক ১১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, নাসিক ১২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সেলিম, ১৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, ১৪ নং ওয়ার্ড আব্দুল করিম, ১৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি মো.খালেক, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, সদস্য গোলাম শরিফ প্রমুখ।

0