সবচেয়ে ভালো ঘুম হয়েছে সেদিন: এড. মোহসীন

0

স্টাফ করেসপন্ডেট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : আসন্ন নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন প্রথমে তিনটি প্যানেলে হওয়ার কথা থাকলেও শেষে দুটি প্যানেলে হচ্ছে। আওয়ামীপন্থী আইনজীবী বিদ্রোহ গ্রুপের শেষ মূহুর্তে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারে বদলে গেছে সকল সমীকরণ। নির্বাচনের পুরো প্রেক্ষাপটে আসে আমুল পরিবর্তন। এই নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় সভাপতি প্রার্থীতা নিয়ে।

বর্তমানে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কি ভাবছেন এমনটা জানতে চাওয়া হয় এড. মুহাম্মদ মোহসীন মিয়ার কাছে। যিনি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত সভাপতি প্রার্থী ।

 

এড. মোহসীন বলেন, আইনজীবীরা এর আগেও আমাকে জয়যুক্ত করেছে, সেই ধারাবাহিকতায় আমি আইনজীবীদের কাছ থেকে ভোট চেয়েছি। আমরা আইনজীবীদের জন্য যা করেছি। আমাদের ভোট চাওয়ার একটা সুযোগ আছে, কিন্তু প্রতিপক্ষের ভোট চাওয়ার মতো কোন ভাষাই নেই। গত এক বছরে আটতলা ভবনের ফাউন্ডেশন দিয়ে একতলা পূর্ণ করেছি এবং একইসাথে দু’তলা পর্যন্ত ঢালাই হয়েছে। আমি এবং আমার প্যানেলের আইনজীবী ভাইয়েরা ভোটারদের নিকট বলতে পারবে, ভবিষ্যৎতে নির্বাচিত হলে আমরা আপনাদের আটতলা ভবন করে সম্পন্ন করে দিব। এ পর্যন্ত সেলিম ওসমান সাহেব তিন কোটি টাকা ভবনের জন্য দিয়েছেন, আইনজীবী সমিতির যে ফান্ড রয়েছে তার এক টাকাও নতুন ভবনে নেই। যা করেছি আমরা সম্পূর্ণই সেলিম ওসমানের অর্থায়নে। সুতরাং, প্রতিপক্ষরা কোন ভোটই চাইতে পারবে না, তাদের ভোট চাওয়ার ভাষা নেই। সেক্ষেত্রে আমি তাদেরকে কোন বড় কিছু মনে করতেছি না।

তরুন ভোটারদের প্রসঙ্গে এড.মোহসীন বলেন, তরুন ভোটাদের সাথে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো। ওরা আমার সাথে ঘনিষ্টভাবে মিশতে পারে। আমিও ওদের সাথে ঘনিষ্টভাবে মিশি। ওরা যেকোন সময় আমাকে ডাকতে পারে, যেকোন কথা বলতে পারে। তরুনদের জন্য মজার ব্যাপার, তারা কোর্টে প্রবেশ করেই নতুন একটা ভবন দেখতে পারছে। সুতরাং, আমি মনে করি ওরা আমার প্রতি পজিটিভ । গত দু’বার যেভাবে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে, এবারও আমি আশাবাদী আমাকে জয়যুক্ত করবে।

জুয়েল-মোহসীন জুটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা মজার এক অনুভূতি। আমরা যখন কাজ শুরু করি, শূন্য অবস্থায় ছিলাম। সেলিম ওসমান ভাই টাকা দিবে মুখে বলছে ,এই ভরসায়। কারণ, তিনি বলেছেন দিবেন। তার মুখের কথায় বিশ্বাস ছিল। সেই জায়গা থেকে যেদিন ছাদ ঢালাই দিয়েছি সেদিন রাতে বাসায় গিয়ে দু’রাকাত নফল নামাজ আদায় করেছিলাম। সেদিন আমার খুব ভালো ঘুম হইছে, সেই অনুভূতি ব্যাখ্যা করার মতো নয়।

ভোটারদের মূল প্রত্যাশা ভবনের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এড. মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া।

0