সব ত্যাগ করে পাশে দাঁড়াবো: ফজর আলী

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জঃ আপনাদের অনুরোধ করবো, গুজব শুনবেন না। ইলেকশন যখন আসবে, ইলেকশন ফেয়ার হবে। আমাদের দুই এমপি সাহেব ফেয়ারই করাবেন। যে যোগ্য, আপনারা তাকেই আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করবেন। আপনারা যদি ভাবেন, আমি যোগ্য, তবে আমি সব কিছু ত্যাগ করে হলেও আপনাদের পাশে দাঁড়াবো ইন শা আল্লাহ। যেই যোগ্য, তাকেই বসাবেন এই সিটে।


৩ মার্চ (বুধবার) রাতে নতুন সৈয়দপুর ৭ নং ওয়ার্ড মধ্য এলাকা যুব সমাজের আয়োজনে  টানা দুইবারের নির্বাচিত ও বাংলাদেশ সরকার হতে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নওশেদ আলীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে এ কথা বলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নওশেদ আলীর ছোট ভাই বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিল্পপতি ফজর আলী।

ফজর আলীর ভাষ্যমতে, ইলেকশনের ব্যপারে কিছু বলতে চাই না। ইলেকশন আসলে আপনারা যদি বলেন আমি আপনাদের পাশে থাকি, আপনাদের দিকে তাকায়ে আমি পাশে দাঁড়াবো ইন শা আল্লাহ। আপনারা জানেন আমার দুই দেশে দুই পরিবার থাকে, আমার ৪ সন্তানের মায়া বিচ্ছিন্ন করে আপনাদের পাশে দাড়াবো ইন শা আল্লাহ। আগামীতে আপনাদের ভোটের ব্যপারে আমি আলোচনা করতে পারবো না। এটা আপনারা বলতে পারেন কিন্তু আমি মুখ দিয়ে বের করতে পারবো না।  যেপর্যন্ত সরকার ডিক্লারেশন না দিবে, কিন্তু আমি জানি হয় রোজার আগে বা রোজার পরেই ইলেকশন হবে। আপনারা চিন্তা করবেন না, আমাদের আরো দুইটা মুরুব্বি রয়ে গেছে, একেএম শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান সাহেব। তাঁরা এই ইউনিয়নে জন্য সব সময় চোখ রাখে, যতোদিন বেঁচে আছেন চোখ রাখবেন। চেয়ারম্যান আল্লাহ যার ভাগ্যে লিখে রেখেছে সেই হবে, কিন্তু তাঁরা দুই এমপি সাহেবের কাছে আপনারা যা চাইবেন তাই পাবেন।

স্মরণসভায় তার মৃত ভাইয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সবার কাছে তার জন্য ক্ষমা চান ফজর আলী।

তিনি বলেন, আপনারা সবাই আমার বড় ভাইকে দুই দুইবার ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। ওনার কোনো কাজের বা কথার মাধ্যমে ভুল করে থাকলে আল্লাহ’র ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন। এখানে রাজনৈতিক বা চেয়ারম্যানের সভা নয়, মিলাদের সভা। তার ভিতরেও আপনাদের মনের মধ্যে একটা আকাঙ্ক্ষা চলে আসে যে, আমার ভাইয়ের আগের চেয়ারম্যানরা অনেক কাজ করে গেছে। আপনাদের মনে আসতে পারে আগের চেয়ারম্যানরা কি করেছিলো আর যে চেয়ারম্যান মারা গেছে সে কি করে গেছে? ভাইয়ের মৃত্যুর পরে আমি দেশে ছিলাম না, আমার দূর্ভাগ্য। আমি দেশে আসার পর আমাদের যে মেম্বাররা ছিলেন, আমি তাদের নিয়ে দুইবার বসেছিলাম। আমার ভাইয়ের কাজ কোথায় কি পর্যায়ে আছে আমি জানি না। কোনো ওয়ার্ডে যদি কোনো কাজ অসম্পূর্ণ থাকে আমাকে নিয়ে যেয়ো, আমি দেখে সেগুলো করে দিবো সরকারি টাকা না পেলেও। এতে আমার ভাইয়ের আত্মা শান্তি পাবে, কিন্তু যাই হোক আমি সেই সুযোগ পাই নাই। কারণ কিছু মেম্বার আমার সাথে ছিলো কিছু ছিলো না।

আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন গোগনগর ইউনিয়নের  গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ সৈকত হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, সাবেক মেম্বার কুতুবউদ্দিন, সোহেল ফকিরসহ সৈয়দপুর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সকল নেতৃবৃন্দ ও যুবসমাজ।

0