সাইফুলকে হত্যার আগে এক সাথে নাস্তা করে খুনি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: হত্যার দিন রাতে সাইফুল ও ঘাতক খুনি এক সাথে নাস্তা করে। এরপর ছাদে গিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে একে একে ৮টি আঘাত করা হয় পেটে। এতে নাড়িভুড়ি বের হয়ে যায় সাইফুলের। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হতে করা হয় জবাই।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে আড়াইহাজারে মার্কেটের ছাদে সাইফুল হত্যার দায় স্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে ঘাতক আসামী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

ঘাতক খুনির নাম শুভ রায় (২০)। সে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার লাজৈর গ্রামের শংকর চন্দ্র রায় এর ছেলে। থাকতেন আড়াইহাজারের উলুকান্দি গ্রামে মামার বাসায়।

ঘাতক খূনি শুভ রায়

গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আজাহার জানায়, সাইফুল ও শুভ রায় একে অপরের বন্ধু ছিল। কিন্তু নারী ঘটিত ব্যাপার নিয়ে জীবন কেড়ে নেওয়া দুশমনে পরিনত হয়। শুভ রায় সাইফুলকে করেছেন হত্যার পরিকল্পনা। সেই অনুযায়ী দু’দিন আগে কিনেছিলেন ছোরাও। হত্যার দিন ১১ আগস্ট রাতে সাইফুল ও ঘাতক শুভ রায় এক সাথে নাস্তা করে। এরপর ছাদে গিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়। এতে নাড়িভুড়ি বের হয়ে যায় সাইফুলের। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হতে করা হয় জবাই।

১১ আগস্ট সন্ধ্যায় অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি সাইফুল ইসলাম। এরপর থেকে তাঁকে নানা জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে ১২ আগস্ট বিকেলে আড়াইহাজারের গোপালদী মসজিদ মার্কেটের ছাদে তাঁর লাশ খুঁজে পান স্থানীয় লোকজন। পরে ওই রাতেই তাঁর বোন লিজা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি শুভ রায়কে গ্রেপ্তার করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সাইফুলকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।

পরে ১৩ আগস্ট বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

নিউজ পড়তে ক্লিক করুন

আড়াইহাজারে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

0