সামাজিক সহযোগীতায় কুষ্ঠ রোগ দূর করা সম্ভব: মো. আসাদুজ্জামান

0

স্টাফ করেসপেন্ডন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কুষ্ঠরোগ ‘জিরো পারসেন্টে’করার প্রত্যাশায় রেপ্রোসী ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) সকাল ১১ টায় সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সভায় আলতাফ হোসেন মোল্লার সার্বিক তত্বাবধানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইমতিয়াজ, লেপ্রোসী ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও এমবিভিসি উপ-পরিচালক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ বশির উদ্দিন, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সহ-সভাপতি ডা. বিধান চন্দ্র পোদ্দার, টিএসও জুর্য়েল বিশ্বাস সহ আরো অনেকে।

কর্মশালার পরিচালনায় ছিলেন লেপ্রোসী ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার জজ বিশ্বাস ও সঞ্চালনায় ছিলেণ ডা. মো. মেহেদী হাসান।

কর্মশালাটি চার ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে, ৬৪ টি জেলায় কুষ্ঠ রোগীর সংখ্যার পরিমাণ এবং প্রতি বছর এ সংখ্যা ধাপে ধাপে কমা ও বাড়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় ধাপে, কুষ্ঠ রোগীরা যেন জেলা-উপজেলা ও সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সঠিকভাবে সেবা পায় সে দিকেও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের কথা তুলে ধরা হয়। সে সাথে এই কুষ্ঠ রোগীরা যেন নিজেকে আড়াল করে না রাখে ও রোগের চিকিৎসা করায় সেব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া হয়। শেষের দিকে, মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের দ্বারা কুষ্ঠ রোগীদের চিহিৃত করে চিকিৎসার আওয়াতায় আনার দৃশ্য ও বিশিষ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

কর্মশালার এক পর্যায়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সামাজিক সগযোগীতায় এই সকল রোগীদের চিহিৃত করতে হবে। এদের সঠিক চিকিৎসার আওয়াতায় আনা হলে সমাজে বেঁচে থাকতে পারবে তারা র্দীঘ দিন। সে দিনের আশায় আছি, যে দিন কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত কোন রোগী থাকবে না।

ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য একটাই কুষ্ঠ মুক্ত সমাজ দেখতে চাই। অনেক মানুষ মনে করে এই সকল রোগ কখনও সেড়ে উঠে না। তবে নারায়ণগঞ্জে ২০১৬ সালে থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কুষ্ঠরোগীর সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। তারা রোগ সারাতে সক্ষম হয়েছেন। এভাবে কমতে থাকলে একদিন আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী এর সংখ্যা শূণ্যের কোঠায় দাঁড়াবে।

ডা. মো. ইমতিয়াজ বলেন, এভাবে এগিয়ে চলতে থাকলে খুব দ্রুতই কুষ্ঠ রোগ ‘জিরো পারসেন্টে’ পরিণত হবে। মেধা, পরিশ্রম, জেলা-উপজেলা, সরকারি হাসপাতাল ও চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সহায়তায় এই রোগকে সবর্নিম্ন স্তরে নিয়ে আসা সম্ভব।

পরিশেষে প্রধান অতিথি ডা. মো. ইমতিয়াজ এর সামাজিক সহায়তায় কুষ্ঠ রোগ নির্মূলের প্রত্যাশার বক্ত্যবের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

৪৪
0