সুমী‌কে গণধর্ষণের পর হত্যা, লাশ ফেলা হয় ৩০০ ফুট সড়‌কে

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: স্বামী পরিত্যক্ত সুমী ইসলাম (৩০) উত্তরার একটি বুটিক হাউজে কাজ করতেন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের জেনারেটর অপারেটর ফারুকুল ইসলামের বাসায় তার যাতায়াত ছিল।

গত ১৫ জুন ফারুক খিলগাঁও নাগদার পাড়ার বাসায় ডেকে নেয় সুমিকে। সেখানে আটকে রেখে দুই সহযোগীকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। নির্যাতনের একপর্যায়ে ১৮ জুন রাতে মারা যান সুমি। পরে ভোরে একটি সিএনজি নিয়ে ডেমরা হয়ে রূপগঞ্জ ৩০০ ফুট এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয় সুমির লাশ।

ফারুক নিজেই রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

স্বীকারোক্তিতে ফারুক জানায়, ওই বাসায় তার বাবা-মা থাকতেন। তারা বয়োবৃদ্ধ। করোনার কারণে কয়েকমাস ধরে তারা বড় ছেলে রফিকের বাসায় থাকতেন। ফারুকের স্ত্রী পাশেই শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। ফারুকও শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। যে বাসায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ওই বাসার ছাদে কবুতর পালতেন ফারুক। তাই কবুতরকে খাবার দেয়ার কথা বলে প্রায়ই ওই বাসায় থেকে যেতেন। আর সেখানে প্রায়ই বাইরে থেকে তরুণী এনে ফূর্তি করতেন। সেখানে বড় বড় ক্যামেরা নিয়ে আসা হতো। আশেপাশের লোকদের বলা হতো এখানে নাটকের শুটিং হচ্ছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুমি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ফারুকের দুই সহযোগীর নাম ইমরান ও সুমন। তারা পলাতক আছে। তাদের ধরতে সিআইডির অভিযান অব্যাহত আছে।

সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক বলেন, গত ১৯ জুন অজ্ঞাত নারীর লাশ পাওয়ার পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করে ঢাকা মেট্রো উত্তর-২ টিম। ছায়া তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হওয়ায় ২৪ জুন মামলা দায়ের হওয়ার পর ওইদিন মামলাটি অধিগ্রহণ করা হয়। পরে মেট্রো উত্তর টিম মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি শনাক্ত করে।

0