সেলিম ওসমানের হুঙ্কার ‘ক্ষমা না চাইলে ১৬ মামলা’

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: করোনা পরিস্থিতির উন্নয়নে আমাদের ১৭ জনের একটি কমিটি আছে। যেখানে বর্তমান, সাবেক এমপি ও অনেক ব্যবসায়ী রয়েছে। এরপরেও আমার মত মানুষকেও বোকা বানিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই আমি সাংবাদিকদের সাহায্য চেয়ে ছিলাম, আঙুল ঢুকাতে বলি নি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে খানপুরের করোনা হাসপাতালে আইসিইউর উদ্বোধন কালে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের সমালোচনা করে এ কথা গুলো বলছিলেন সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান।

সেলিম ওসমানের ভাষ্য মতে, ‘আমাদের এক সাংবাদিক বন্ধু। ১৬ জন ব্যবসায়ীর ছবি দিয়ে লিখলেন, করোনা ভাইরাসের সময় তাদের কোন মুভমেন্ট নাই। আমি আপনাদের বলতে চাই-তাদের যদি মুভমেন্ট না থাকতো, তাহলে আপনাদের পত্রিকা চলতো না। সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে সে যেই হোক ছাড় দেয়া হবে না।’

সেলিম ওসমান বলেন, ‘ব্যবসার একটা অংশ করোনা ভাইরাসের জন্য খরচ করতে হবে; এমন কোন নির্দেশনা সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে ছিল না। তারপরেও করোনায় খরচ করা টাকার জন্য সরকার আমাদের ট্যাক্স বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারেরও কোন দোষ নেই। কিন্তু আমরা ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে গেছে। তাই ব্যবসায়ীদের কাছে আপনি ক্ষমা চাইবেন। অন্যথায় আপনাদের প্রিন্ট করা ১৬টা ছবির জন্য ১৬টা মামলা হবে।’

সেলিম ওসমান আরও বলেন, একবার খবর নিয়েছেন, তাদের বেতন বোনাস হয়েছে না কি? শ্রমিকরা খেয়ে আছে, নাকি না খেয়ে মরছে। অথচ, আপনারা এসি রুমে বসে নিউজ লেখেন। আপনারা বেতন চান, ঈদের বোনাস চান। সে অনুযায়ী আপনি আবার চাহিদাপত্রও দিয়ে দেন। আপনি চাহিদা পত্র দেওয়ার কে? আপনি অনেক বার হজে গিয়েছেন। পাসপোর্ট সিস করলেই প্রমান মিলবে। যদি আপনাকে ইনকাম ট্যাক্স ধরে, তাহলে আপনি কি বলবেন। উত্তরটা কি থাকবে। ইবলিশ মানুষের সাথেই থাকে, মানুষ রূপেই থাকে।

খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহম্মেদ।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক ডাক্তার শামসুজ্জোহা সঞ্চয় এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিকেএমইএ প্রথম সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, সহ সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনুসহ আরও অনেকে।

0