স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ: সমাধানে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে মামলা নিলো পুলিশ

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আড়াইহাজারে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে জোর করে ধরে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ৪ দিন পর মামলা নিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিটন (২৪)কে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ঘটনার পর ৪ দিন পর সোমবার সকালে ধর্ষিতার মা আড়াই হাজার থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

গত বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের প্রভাকরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মামলার এজহার নামায় জানাযায়, এ ঘটনায় মামলা না করার জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল ভুক্তভোগীর পরিবারকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে। তবে দিনভর থানা পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হয়ে রাত ১০টায় মামলাটি গ্রহণ করেন। মামলায় লিটন ও সাইফুল সহ আরও দুই ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এর আগে আটক লিটনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সে স্থানীয় প্রভাকরদী এলাকার তোঁতা মিয়ার ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের প্রভাকরদী এলাকায় দরিদ্র কাঠ মিস্ত্রীর কন্যা রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিল। তখন যাওয়ার পথে একই এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (২৪) ও মো. আলী মিয়ার ছেলে সাইফুল (২৫) তাকে জোর করে মুখে কাপড় বেধে ধরে নিয়ে যায়। পরে পার্শ্ববর্তী এলাকার মোবারক মিয়ার পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে লিটন মিয়া মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি তার বাড়িতে গিয়ে পিতা-মাতাকে ঘটনাটি জানান। মেয়ের পিতা লিটন ও সহযোগি সাইফুলের পিতাকে জানান।

মেয়েটির মা জানান, ঘটনায় স্থানীয় ভাবে সমাধান করে দিবে বলে জানান এলাকার প্রভাবশালী কিছু লোক। তারা আমাদেরকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপার পপ্রস্তাব দেয়। পরে মেয়েটির মা অভিযুক্ত লিটন ও সহযোগি সাইফুলের বিরুদ্ধে সোমবার সকালে আড়াইহাজার থানায় ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

0