স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলো না.গঞ্জের ৫টি উপজেলা প্রশাসন

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আজ ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। বর্তমানে ভয়াবহ কঠিন অবস্থা পার করছে জাতি। করোনভাইরাসের পরিস্থিতিতে স্বাধীনতা দিবস এর সব সরকারী ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

দিবসটি খুব সীমিত আকারে ও নীরবে পালনন করেছে নারায়ণগঞ্জের ৫টি উপজেলা প্রশাসন।

দিবসটি জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে উদযাপন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর, বন্দর, আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও উপজেলায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়ে এ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছেন।

*আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সোহাগ হোসেন স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত কার্যক্রম সর্ম্পকে বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আড়াইহাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

*একই বিষয়ে বন্দর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শুক্লা সরকার বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

*রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় ভাবে যে দিক নির্দেশনা এসেছে সেভাবেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়াও, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

*সোনারগাঁও উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাইদুল ইসলাম বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমার উপজেলায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে উদযাপন করা হয়েছে।

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিক বলেন, সদরে কখনো আলাদা প্রোগ্রাম হয় না। ডিসি অফিসের সাথে হয়। তাই ডিসি অফিসের তথ্য শাখায় ফোন দিয়ে সকল তথ্য জানতে বলেন তিনি।

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিক এরপর তার স্বভাবসুলভক কোন কথা না বলেই ফোন রেখে দেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস যা ২৬শে মার্চ তারিখে পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে (কাল রাত) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণের ডাক দেন। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

0