স্বামীকে বশ করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার, ৩জন গ্রেপ্তার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বিয়ের পর স্বামীর সাথে বনিবনা হচ্ছিলো না গৃহবধু (২২) এর সাথে। এ নিয়ে সংসার জীবনে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে, শত চেষ্টা করেও স্বামীর সাথে সুখের সংসার গড়ে উঠেনি তার। একপর্যায়ে স্বামীকে ছেড়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান নেয় ওই নারী। একপর্যায়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক ফকিরের সন্ধান পায়, যে টাকার বিনিময়ে স্বামীকে বশ করতে পারবে। অবশেষে বিশ্বাস করে ফকিরের পাল্লায় পরে গণধর্ষণের শিকার হয় ভুক্তভোগী গৃহবধু।

নারায়ণগঞ্জ থেকে পটুয়াখালী গিয়ে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধু (২২)। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১ অক্টোবর) ভোররাতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রাম থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শহিদুল ইসলাম (৫৫), মালেক হাওলাদার (৫০) ও আলমগীর হাওলাদার (৩৬)।

এদিকে মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার রসুলপুর এলাকার এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। এরপর থেকে ওই নারী বাবার বাড়িতেই থাকতেন। একপর্যায়ে তিনি শহিদুল ইসলাম ফকিরের সন্ধান পান। যোগাযোগ করা হলে শহিদুল ফকির জানান, ২০ হাজার টাকা দিলেই স্বামীকে বশে আনা যাবে।

ফকিরের কথা বিশ্বাস করে তাকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দেন ওই নারী। এরপর থেকে তদবির দেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন শহিদুল। সর্বশেষ গত ২৩ সেপ্টেম্বর তদবিরের কথা বলে ওই নারীকে কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জে আসতে বলেন শহিদুল। পরে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় আজ দুপুরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন।

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমরা মামলা হওয়ার সাথে সাথে অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের আটক করি। ইতোমধ্যে আমারা আসামিদের আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকি অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

, , , ,