হকার উচ্ছেদ: এসপির কঠোরতাকে স্বাগত জানিয়েছে নাগরিক সমাজ

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ফুটপাত নাকি ব্যবসাকেন্দ্র। হাঁটার জায়গাজুড়ে পণ্যসামগ্রীর পসরা আর হকারদের ব্যস্ততা। পথচারীরা ফুটপাতে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় হাঁটবেন, সেখানেও একই অবস্থা।

কয়েক দিন আগেও এমন চিত্র ছিল নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলমের নির্দেশনায় ও জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থানে এখন আর সেই চিত্র নেই।

এ কারণেই ‘পুন:বাসন’ এর দাবিতে গত কয়েক দিন যাবৎই রাস্তায় নেমেছে হকাররা। যদিও অনেকেই এ দাবিকে মামা বাড়ির আবদার বলছেন। কেউ কেউ নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলমের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ পৌর সভায় আলী আহম্মেদ চুনকার শাসন আমলে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার পাশেই একটি মার্কেট নির্মাণ করে দেওয়া হয় হকারদের। এরপর ১/১১ এর সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীও নগরীর চাষাঢ়াতে একটি হকার্স মার্কেট নির্মাণ করেদেন।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ নাগরীক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, পূর্বে যে মার্কেট গুলো দেওয়া হয়েছে। এখন সেগুলোতে আর হকার নেই। মার্কেট গুলো ব্যবসায়ীদের পরিনত হয়েছে। হকাররা সেই দোকান বিক্রি করে পুনরায় রাস্তায় বসছে। কেউ কেউ আবার হকারদের নেতা সেজে বাড়ি ঘরের মালিকও হয়েগেছে। একটি গুষ্টিকে কতবার পুন:বাসন করা যায়? পুলিশ সুপারের এ উদ্যোগকে আমরা নাগরীক সমাজের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাচ্ছি।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ফুটপাতে হকার বসলে মানুষের চলাচলে সমস্যা হয়। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। এজন্য তাদের কোনভাবেই ফুটপাতে বসতে দেওয়া হবে না। আর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২ মার্চ সোমবার দুপুরে শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ হকার্সলীগ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। সেই বিক্ষোভ থেকে পুনর্বাসনের আগে বঙ্গবন্ধু সড়কের উভয় পাশে ফুটপাতে বসতে দেওয়ার দাবি জানিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর বরাবরে স্মারকলিপি জমা দেন।

0