হকিতে মজেছে ফতুল্লা পাইলট স্কুলের কিশোরীরা

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ক্রিকেট কিংবা ফুটবল নয়, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কিশোরীরা মজেছেন হকির প্রেমে। স্কুলের ফাঁকে ফাঁকে স্টিক হাতে তারা মাঠে করেন অনুশীলন।

সবশেষ নারী দলের হকি ক্যাম্পে এই স্কুল থেকে জায়গা করে নিয়েছেন ৬ জন। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা ফেডারেশন একটু সহযোগিতার হাত বাড়ালে, এখান থেকে উঠে আসবে মেধাবী সব খেলোয়াড়।

চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির। জ্ঞান যেথা মুক্ত যেথা গৃহের প্রচীর।

অদম্য স্বপ্ন আর এক বুক প্রত্যাশাকে সঙ্গী করে এগিয়ে যাচ্ছে এই অকুতোভয় কিশোরীরা।

শুরুটা ২০১৪ সালে। ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুর রহমানের হাত ধরে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে হকি খেলার প্রচলন। তখনও বাংলাদেশে নারীদের কোন হকি দল ছিল না। তখন নীরবে নিভৃতেই চলেছে অনুশীলন। পাঁচ বছরেই নারীদের হকি নিয়ে এখন গর্বিত স্কুলের প্রতিটি সদস্য।

জাতীয় দলের ক্যাম্পে এ স্কুল থেকেই জায়গা পেয়েছেন ৬ জন। অপেক্ষমান তালিকায় আরো জনা দশেক। ক্রিকেটের দেশে হকির উন্মাদনার এ এক অনন্য নিদর্শন।

স্কুলের শিক্ষার্থীরা বলেন, হকি খেলতে খুবই ভালো লাগে। টিভিতে হকি খেলা দেখলেই আমি সামনে বসে পরি। আমি একজন বড় মাপের হকি খেলোয়ার হতে চাই। যত বাধাই আসুক, আমার ইচ্ছে আমি একদিন জাতীয় দলে খেলবো।

আছে আক্ষেপও। অল্প বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে অনুশীলনের অনুপযোগী হয়ে পরে খেলার মাঠটি। তাইতো হকি ফেডারেশনের কাছে দাবি একটা আর্টিফিসিয়াল টার্ফ আর ক্রীড়া সরঞ্জাম।

ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রথম দিকে অভিবাবক ও স্থানীয় লোকজন বাধা দিতো। তবে এখন আর কোনো সমস্যা নেই।

ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুর রহমান জানান, একটা টার্ফের ব্যবস্থা করা গেলে ১২ মাসই আমরা অনুশীলন করতে পারতাম।

শুধু তাই নয়। হকিতে ছাত্রীদের আরো আগ্রহী করতে আগামী বছর থেকে শ্রেণীভিত্তিক টুর্নামেন্ট চালুর পরিকল্পনা স্কুল কর্তৃপক্ষের।

0