হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব আমাদের: মাও. আউয়াল

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত কিছু দিন আগে মুসলমানদের বাবরি মসজিদকে ধ্বংস করেছে। সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপরে একের পর এক নির্যাতন চালাচ্ছে। একই সাথে উগ্রপন্থী হিন্দুরা আমাদের মুসলিম ভাইদের বাড়ি ঘরে হামলা করছে, আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে। অথচ সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ গুলোর মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন হয়েও তার পক্ষ হতে এখনো পর্যন্ত আমরা কোন বিবৃতি পাইনি। আর এজন্য আমরা কষ্টে আছি। ভারতের মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ করার দাবিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রতিবাদ জানাবে। অন্যথায় আমার দেশের লোকদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। ভারত সরকারের নিকট এমন দাবি জানাবে বলে আমরা সরকার প্রধানের নিকট আশাবাদী।

বৃহস্পতিবার (২৭ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লা পুলিশ লাইন্স স্কুলে উগ্রবাদ বিরোধী সামাজিক সচেতনতা শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জ ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেছেন, বিশ্বের কোন এলাকায় দলীয় লোকদের উপর নির্যাতন হলে তা দেখে নিজ দেশে শোক প্রকাশ করা যারা জঙ্গিবাদের অংশ হিসেবে উল্লেখ্য করেছেন। আমি বলব, এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। কেননা প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। সারা পৃথিবীর যে কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোন মুসলমান যদি থাকে, ওই মুসলিমের শরীরে ব্যথা হলে আমার শরীরে ব্যথা অনুভব হবে। বিশ্বের কোন এলাকায় মুসলমানদের উপর হামলা হলে আমরা ওই খানে গিয়ে হয়ত প্রতিহত বা প্রতিবাদ করতে পারবো না । কিন্তু, তার প্রতিবাদে আমি আমার এলাকায় ঈমানী চেতনা প্রকাশ করলে যদি জঙ্গিবাদের অংশ হয়ে যায় তাহলে সে কথাটা ভুল।

তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমরা সব সময় মদ এবং নেশার বিরুদ্ধে। কুচক্র ওয়ালাদের বিরুদ্ধে আলেমরা মসজিদে অনেক কথা বলেন। কিন্তু, আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পারি না। বাস্তবায়ন করতে হলে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা লাগবে। আমাদেরকে ইমাম বা নেতা বলা হয়। আসলে আমরা ঢাল তরবারি ছাড়া নেতা। আপনারা যদি আমাদের সহযোগিতা করেন তহালে নারায়ণগঞ্জ থেকে আমরা নেশা জাতীয় দ্রব্য উৎঘাটন করতে পারবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবাস সাহা, মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, ফতুল্লা মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আসলাম হোসেন, বন্দর থানা ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0