১২ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: সেই শিক্ষকের স্বীকারুক্তি মূলক জবানবন্দী

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লায় ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক মাওলানা আল আমিন স্বীকারুক্তি মুলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর থেকে বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র‌্যাবের একটি মামলায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিট কাওসার আলম এর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এসআই সবুর খান ও সাব ইন্সপেক্টর মঈনুর জানান, আসামী নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেন।
এর আগে নির্যাতিত সব ছাত্রীর পরিবারের পক্ষে একজন অভিভাবক ৫ জুলাই বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানায় আল আমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি আলেপ উদ্দিন জানান, কয়েকদিন আগে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকার অক্সফোর্ড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০ জনের বেশি ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে। ফেসবুকে ওই খবরটি দেখছিলেন বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মা। তখনই পাশে শুয়ে থাকা ওই ছাত্রী তার মাকে বলে, ‘এই শিক্ষক (আরিফুল) গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু আমাদের মাদ্রাসার হুজুরকে কেন গ্রেফতার করা হয় না?’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই ছাত্রী তার মাকে বিস্তারিত জানায়, অধ্যক্ষ আল-আমিন মাদ্রাসার মেয়েদের ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন। পরে ওই ছাত্রীর মা বিষয়টি র‌্যাবকে জানান।
র‌্যাব অনুসন্ধানে নেমে জানতে পারে, ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ওই শিক্ষক মাদ্রাসার ১০ থেকে ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগও রয়েছে। এরপরই গত ৪ জুলাই তাকে আটক করা হয়।

0