২৫ বছর পে‌রি‌য়ে ‘ দৈ‌নিক শীতলক্ষা’: ‘ব্যয়টা এখন বাঁধা’ দিপু

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ২৫টি বছর। নারায়ণগঞ্জের নানা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বুকে লালন করে, এ নগরীর সুখ ও দুঃখের চিত্র অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে তুলে ধ‌রে‌ছেন দৈনিক শীতলক্ষা পত্রিকার সম্পাদক আরিফ আলম দিপু। এ ২৫টি বছর নানা বাঁধা, সংকট, প্রতিকুলতা ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। নারায়ণগঞ্জের বহুল প্রকাশিত জনপ্রিয় দৈ‌নিক শীতলক্ষা পত্রিকা। যে প‌ত্রিকায় বলছেন এই জেলার কথা। এ জেলার মানুষের কথা। তুলে ধরছেন প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া চিত্র। কিছু সমস্যার সমাধান করে‌ছেন। আবার কিছু আশায় বুক বাঁধি‌য়ে‌ছেন। কিছু প্রত্যায় র‌য়ে‌ গে‌ছে। আজ প‌ত্রিকা‌টির ২৫বছর পূ‌র্তি। দৈনিক শীতলক্ষার ২৫ বছর পূর্তিতে লাইভ নারায়ণগঞ্জের পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা ও নিরন্তর ভালোবাসা।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দৈনিক শীতলক্ষার ২৫ বছর পূর্তি  নগরীর রাইফেল ক্লাবে উদযাপন করা হবে। সে সময় উপস্থিত থাকবেন জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাংবাদিক, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দৈনিক শীতলক্ষা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। সে দিনের সে হাটি হাটি পা পা করে আজকে ২৫টি বছর পূর্ণ হলো। এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য সাংবাদিক। যাদের অ‌নে‌কেই প্রতিষ্ঠাতা পেয়েছেন দেশে-বিদেশে। কাজ করছে এখনো নামি-দামি মিডিয়াতে। পাঠকের ভালোবাসায় সিক্ত দৈনিক শীতলক্ষা পত্রিকার সম্পাদক আরিফ আলম দিপু।

২৫টি বছর পূর্তি উপলক্ষে কথা হয় লাইভ নারায়ণগঞ্জের সাথে। জানালেন নানা কথা। জানালেন আশার কথা, স্বপ্নের কথা। সে সাথে জানালেন সংকট ও সংগ্রা‌মের কথা।

দৈনিক শীতলক্ষা পত্রিকা শুরু হওয়ার গল্প সম্পর্কে বলেন, দিনাজপুর ইতেফাক এর প্রতিনিধি ছিলেন মতিউর রহমান ও সম্পাদক ছিলেন হাবিবুর রহমান বাদল। এক সময় বাদল ভাইয়ের পরিবর্ততে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মতিউর রহমান। তারপর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি আমি।

চলে যাওয়া ২৫টি বছর সম্পর্কে তিনি বলেন, দৈনিক শীতলক্ষার পত্রিকার সফর শুরু হয় ১৯৯৬ সালে থেকে। পত্রিকার শুরুতে নারায়ণগঞ্জের মানুষের কাছে ছিল না এর কোন মূল্য। খুবই খারাপ অবস্থা ছিল। অনেক বাঁধা-বিপত্তির পরে মানুষের কাছে পত্রিকার আকর্ষণ বেড়ে উঠেছে  ২০০১ সালে। ধীরে ধীরে এক সময় পত্রিকার প্রচারের সংখ্যা ও সাংবাদিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

তরুণ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের সময় সাংবাদিকতা অনেক কষ্টের বিষয় ছিল। কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকতা অনেক সহজ হয়ে গেছে। বর্তমানে সাংবাদিকতা করলে ভবিষৎ উজ্জ্বল।  ভালো ও বেশি করে পড়াশুনা করলেই একজন সফল সাংবাদিক হওয়া যায়।

বর্তমান পত্রিকা প্রকাশনায় বাঁধা সম্পর্কে বলেন, আমার কাছে মনে হয় ‘বর্তমান পত্রিকা প্রকাশনায় ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। ব্যয়টা এখন বাঁধা।’
‌তি‌নি ব‌লেন, সরকার এক সময় পত্রিকা প্রকাশনায় ব্যয় বহন করত। কিন্তু এখন করে না। এখন সরকারি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন গুলোও দেয় না।

সাংবাদিকতায় চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি বলেন, সাংবাদিকতা করাই একটা চ্যালেঞ্জ। প্রতিকূলতা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়াই সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ।

0