৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শুক্রবার ( ২২ জানুয়ারী ) মাউশি এই নির্দেশ দিয়েছে। এতে পূর্বঘোষিত ‘গাইডলাইন’ অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। যাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পাওয়া মাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায়। করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা আছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চাপ এসেছিল অভিভাবকদের কাছ থেকে। এখন ১০ মাস বন্ধের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি উঠছে। বেসরকারি সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযানের এডুকেশন ওয়াচ নামের এক সমীক্ষার তথ্য বলছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ও ৭৬ শতাংশ অভিভাবক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পক্ষে। জাতীয় সংসদেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতিসংক্রান্ত নির্দেশনা তারই আলোকে দেওয়া হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কবে খুলবে, সেটি নির্ভর করছে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও করোনা সংক্রমণ মোকাবিলাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত অনুযায়ী।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ অন্য কয়েকজন কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল সভা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই বৈঠকে অংশ নেওয়া কয়েকজন ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে মত দিয়েছেন।

ঢাকার একটি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানালেন, তাঁরা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা পাননি। তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা হলো, আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে আনা। সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারি থেকে এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা অনুযায়ী অন্যান্য স্তরের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সুত্র: প্রথম আলো

0