আইভী বিরুদ্ধে ফের দলীয় শৃংখলা ভাঙ্গার অভিযোগ

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগে বিভিন্ন সময়ে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্য দায়ী করা হয় সিটি মেয়র আইভীকে। জেলা কমিটির সহ সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সময় সভাপতি আবদুল হাইকে চোখ রাঙ্গানী, সাধারণ সম্পাদক ভিপি বাদলকে নিয়ে অপপ্রচারসহ দলে বিশৃংখলা সৃষ্টি করেছেন বার বার। সেই আইভী বিরুদ্ধে এবার শ্রমিকলীগের বিদ্রোহকে উসকে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতেকরে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হবে জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সিটি মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে। এমনটাই জানিয়েছেন জেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক কমিটির নেতারা।

জানা গেছে, অক্টোবরের ১ তারিখ জাতীয় শ্রমিক লীগের নারায়ণগঞ্জ জেলার ২৭ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুর কুতুব আলম এর সুপারিশে সাধারণ সম্পাদক আজম খসরু শ্রমিক লীগের এই কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটিতে আব্দুল কাদির আহবায়ক, কামাল হোসেন সদস্য সচিব ও হাজি আবদুল মান্নান মেম্বার, মো. সিরাজুল হককে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগ পূর্বের জেলা কমিটি বাতিল করেই নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেন। নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের পর পূর্বের কমিটি বাতিল হয়ে যায়। পূর্ববর্তি কমিটির কয়েকজন পদবঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহ শুরু করে। কমিটি অনুমোদনের দুদিন পর শহরের ২নং রেলগেইটস্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এই কমিটিকে প্রতিরোধের ঘোষনা দেয়। যদিও এটাকে আমলে নেয়নি নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি। ১২ অক্টোবর শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জেলা আহ্বায়ক কমিটি শহরের চাষাড়া শহীদ মিনারে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে পালণ করে। এ অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা এমপি শামীম ওসমান। একইদিন বিকেলে ২নং রেলগেইট কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকলীগের বিদ্রোহকে উসকে দিলেন মেয়র আইভী। বিদ্রোহীদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঝাঝালো বক্তব্য দিয়ে শ্রমিকলীগে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে দেন তিনি।

এব্যাপারে জেলা শ্রমিকলীগের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক আবদুল কাদির বলেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের অনুমোদিত নিয়মতান্ত্রিক কমিটির বিরুদ্ধে গিয়ে মেয়র আইভী দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করেছেন। আমরা তাকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি জানাবো। কেননা নৌকা প্রতিকের মেয়র হয়ে, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হয়ে কি ভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্ম করলেন, মেয়র আইভী দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করতে পারেন না। প্রকাশ্যে দলে এমন বিভাজন সৃস্টি নিজরবিহীন।

জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান, এরআগেও বিভিন্নভাবে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করেছেন মেয়র আইভী। বিভিন্ন সময়ে জামায়াত-বিএনপির প্রেসকিপশনে তিনি দলে বিশৃংখলা সৃষ্টি করেছেন। জেলা কমিটির সভায় সভাপতি আবদুল হাইকে প্রকাশ্যে হুমকী দিয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক ভিপি বাদলকে নিয়ে নানা কূরুচীপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এই নেতা বলেন, এতোকিছুর পরও নিজেকে আওয়ামী লীগ বলতে লজ্জা হয়না তার।

0