তল্লা মসজিদে জুম্মার নামাজ: ব‌ন্ধের ৪০ সপ্তাহ

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: শুক্রবার মানেই ছুটির দিন, শুক্রবারকে বলা হয় ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন। সপ্তাহের সকল দিনের শ্রেষ্ঠ দিন জুম্মাবার। মুসলিম ধর্মে ঈদের মর্যাদাও দেয়া হয়েছে এই দিনকে। আল্লাহতায়ালা এই দিনটিকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন বলা হয়। কিন্তু ৪০টি জুম্মারদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও তল্লা বায়তুল সালাত জামে মসজিদে দেয়নি আযান, হয়নি নামাজ। জুম্মাবারেও জন মানবহীন মসজিদটি ।

গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর(শুক্রবার) রাতে এশারের নামাজ চলাকালে মসজিদটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছিল ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ৩৪জন মুসল্লির এবং আহত হয়ে সুস্থাবস্থায় বাড়িতে ফিরেছেন ৩ জন। এরপর থেকে দীর্ঘ প্রায় ৯ মাসে (২৮০ দিন) মসজিদটিতে হয় নি কোন জামায়াত, হয়নি ৪০টি জুম্মাও। কবে চালু হবে মসজিদটির কার্যক্রম? কবে আবার তারাবীহ ও জুমার নামাজ আদায় করতে এলাকাবাসী একত্রিত হবে মসজিদে? এমন প্রশ্ন প্রায় পাঁচ পেরিয়ে যাবার পরও ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মনে। তবে, ইতিমধ্যেই সেই মসজিদটি চালু করার জন্য মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও(ফেসবুক) অনেকে মসজিদটি খুলে দেয়ার জোড় দাবি জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত মসজিদ কমিটির সভাপতি গফুর মিয়া জানান, আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি মসজিদটি খুলে দেয়ার জন্য তবুও বার বার ব্যর্থ হচ্ছি। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা হয়েছে, ইউএনওর সাথে কথা হয়েছে। সবশেষ আমাদের বলা হয়েছে যদি ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ অফিস ও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদন দেয় তাহলে আমরা মসজিদ খোলার অনুমতি দিবো। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ অফিস প্রতিবেদন দিলেও তিতাস কোনো প্রতিবেদন দেয়নি।তাই আমরা আগামী রবিবার তিতাস অফিসে যাবো তাদের সাথে কথা বলতে, আমাদের ক্লিয়ার বক্তব্য হলো হয় মসজিদ চালু করে দেয়া হোক নয়তো একেবারে বাদ দেয়া হোক।

0