দায়িত্ব গ্রহণের ৪ বছরে, যা বললেন এনসিসির কাউন্সিলররা

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বৃটিশ সরকার ১৮৭৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ২৭,৮৭৬ জন জনসংখ্যা অধ্যুষিত ৪.৫ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা গঠন করে। ৪ জন মনোনীত এবং ৮ জন নির্বাচিত কমিশনার নিয়ে যাত্রা শুরু হয় পৌরসভার । ২০১১ সালের ৫ মে এই পৌরসভাকে ভেঙ্গে আর দুটি পৌরসভা( সিদ্ধিরগঞ্জ ও কদমরসূল ) সংযুক্ত করে গঠন করা হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। ৭২.৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ২৭ টি। ২০১১ ও ১৬ সালে দুই দফা সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে দুইবারই মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন প্রয়াত আলী আহাম্মদ চুনকার কন্যা ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। ২০১৬ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত কাউন্সিলররা ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারী শপথ গ্রহণ করে, ৯ জানুয়ারী দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচিত সেই কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণে ৪ বছর আজ। দায়িত্ব গ্রহণের ৪ বছর উপলক্ষ্যে লাইভ নারায়ণগঞ্জকে নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কাউন্সিলরবৃন্দ।

সাবেক সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভা ও বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৯ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ:

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর ফারুক বলেন, ১ নং ওয়ার্ডে কাজ করতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে আমার। এলাকাবাসী ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। আমি যদি ভালো কিছু না করতাম, তাহলে আমাকে সংবর্ধনা দিতো না। এই সংবর্ধনা পেয়ে আমি মনে করছি, আমি গত ৪ বছরে সফল হয়েছি। আমার ওয়ার্ড হলো সব থেকে বড় ওয়ার্ড। এই ৪ বছরে আমার সব থেকে বড় অনুতপ্তের ব্যাপার হলো, রহমতনগর মসজিদের রাস্তাটি আমি করতে পারিনি। আর এটাই আমার সব থেকে বড় কষ্টে ব্যাপার। এই রাস্তার মাপ আমি নিয়ে এসেছি। আগামী রোববার মেয়রের সাথে বসার চিন্তা ভাবনা করছি। আমি ধন্যবাদ জানাই আমার এলাকার জনগণকে। কারণ, বিগত কাউন্সিলর যে কাজ করতে পারেনি, এলাকাবাসী আমাকে সেটা করতে সুযোগ দিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরিফুল হক হাসান বলেন, আমি ৪ বছর কাজ করেছি। গর্ববোধ করার কিছু নেই। যা কাজ করি সবই সমান।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি বলেন, মানুষের পাশে থেকে বিগত ৪ বছর খুব ভালো গিয়েছে। সবার কাছে দোয়া চাই যাতে আগামী দিন গুলো কাজ করে, মানুষের চাহিদা পুরণ করতে পারি। এই ৪ বছরে এলাকা পুরোপুরি মাদক মুক্ত করতে না পেরে, আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। চেষ্টা অব্যহত রেখেছি মাদক মুক্ত করার। তবে আমি গর্ববোধ করি, আমার ওয়ার্ডে একটি মাদ্রাসা করেছি ,মসজিদের কাজ চলছে এবং একটা স্কুল করার পরিকল্পনা আছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা বলেন, ৪ বছরের অনুভূতি খুবই ভালো। উন্নয়ন করছি, চলছে। এমন কোনো কাজ নেই যেটাতে আমি গর্বিত।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা বলেন, গেলো ৪ বছরের অনুভূতি খুবই ভালো। জনগণের সেবা করতে পেরেছি। এমন কাজ হয় নি যেটাতে আমি কষ্ট পাবো। আমার সব কাজেই আমি গর্বিত।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম বলেন, গতকাল আমি কিছু কম্বল বিতরন করছি, যা সবার জন্য পরিপুর্ন হয় নি। আমার মতে সরকারের পক্ষ থেকে আরো কিছু কম্বল বরাদ্দ দেয়া উচিত ছিলো। তাহলে আরো কিছু গরিব মানুষদের সাহায্য করা যেতো। আমার ওয়ার্ডে অনেক রাস্তা, অনেক মানুষকে ত্রান দিয়ে আমি সাহায্য করতে পেরেছি। এর কারনে নিজেকে আমি গর্ব বোধ করি। অনেক অসম্ভব কে আমি সম্ভব করতে পেরেছি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর আয়শা আক্তার দিনা বলেন, কাউন্সিলর যখন হয়েছি খুব আনন্দ লাগছে। কিন্তু যখন দায়িত্ব মাথায় আসছে সর্বদা চেষ্টা করেছি, ইমানদারির সাথে মানুষের দায়িত্ব পালন করতে। কারণ, এটা আমি ইবাদত হিসেবে নিয়েছি। নির্বাচনে ইশতেহারে ছিল মাদকমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা, কিন্তু ৪ বছরের মধ্যে এই কাজটি করতে পারি নি। করোনার মধ্যে জনগণকে জীবন দিয়ে খাদ্য সহায়তাসহ, গর্ভবতী মায়েদের সাহায্য করেছি। এতে আমি নিজেকে গর্ববোধ করি।

সাবেক নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা ও বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের ১০ থেকে ১৮ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ:

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন বলেন, আল্লাহ তা’আলার কাছে আমি যা চেয়েছি, তার থেকে বেশিই তিনি আমাকে দিয়েছেন। আমি গর্ববোধ করি মানুষের ডাকে আমি তাদের পাশে থাকতে পেরেছি বিগত ৪ বছর।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু বলেন, আলহামদুলিল্লাহ করোনার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। আমি কোন বাঁধার সম্মুখীন হই নি। আমি করোনার রোগীদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি, এতে আমি গর্ববোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ৪ বছরে মোটামুটি চেষ্টা করেছি, বাকি কাজগুলো চলমান আছে। মাতৃসদন কাজ করতে চেয়েছিলাম, যার জন্য ১২ শতাংশ জায়গা প্রয়োজন। মেয়র মহোদয় অনুমোদন দিলেও, ওয়ার্ডে জায়গা না থাকায় তা হয় নি। গর্ববোধ করার মতো কিছু নেই। মানুষের পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিউদ্দিন প্রধান বলেন, জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা এখনও হয় নি। কিছুদিনের মধ্যেই হয়ে যাবে। নতুন রাস্তাগুলো সংষ্কার করবো অতি শীগ্রই। জনগণের পাশে থেকে করোনার সময় মোকাবেলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান ও মেয়রের অনুপ্রেরণায় আরও অনেককে নিয়ে ১৭ করোনা রোগীকে দাফন করেছি। একটা কাজই দুঃখ লাগে জিউস পুকুর, ২০১৭ সালে যখন পাশ করি তখন পুকুর পরিষ্কারের জন্য এনসিসি সহযোগীতায় দুই ঘাট পরিষ্কার করি কিন্তু একটা ঘাট নোংরা হয়ে গেছে, আমি আশা করি অতি শীগ্রই ঘাটটি পরিষ্কার করবো। আমি জনগণের কথা শুনি, সবসময় তাদের সহযোগীতা কামনা করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসিত বরন বিশ্বাস বলেন, ২০১১ থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৬ সালেও নির্বাচিত হই। আমার ওয়ার্ডে ১৬ সালের ইশতেহারে স্কুল ও নিম্ব আয়ের মানুষের আবাসন করার। স্কুলটি নির্মাণ হচ্ছে এবং আবাসনের কাজটি হবে। শতভাগ না হলেও ৯০ পার্সেন্ট কাজ করতে পেরেছি আমি ওয়ার্ডবাসীর। ওয়ার্ডবাসীর কাছে ঋণী। কারণ নিম্ন আয়ের লোক আছে অনেক, তাদের যে জনগোষ্ঠী আমার অবস্থান অনুযায়ী সবসময় সহযোগীতা পেয়েছি তাদের কাছ থেকে এতে আমি গর্ববোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজল বলেন, আমার ওয়ার্ডে এমন কোন কাজ নেই, যা আমি করতে পারি নাই। এবং এমন কোন কাজও নেই, যা করতে পেরে আমি নির্জের উপর গর্ব বোধ করতে পারি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আব্দুল করিম বাবু বলেন, মানুষের সেবা করেছি এ সেবায় যদি মানুষ সন্তুষ্ট হয়ে থাকে এটাই সবচেয়ে বড় কথা। জনগণ যদি মনে করে এ সেবায় তারা সন্তুষ্ট, তারা যদি চায় তাহলেই পরবর্তীতে নির্বাচন করবো। পারি না বলতে কোন শব্দ আমার মধ্যে নেই। আসলে মানুষের সেবা করি নিজের অর্থায়নে অনুদান দেই তখন কষ্টটা স্বার্থক হয় ভালো লাগে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. কবির হোসাইন বলেন, আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া ৪টি বছর মানুষকে সেবা দিতে পারছি। বাকি ১ বছরও যাতে কভার করতে পারি। উন্নয়ন করতে পাই। যেটাই চাইছি মেয়র সেটাই দিয়েছে। যে কাজ চলমান ৫ বছরেও শেষ হবে না। আমি দুইটা বড় সেতু করেছি, যেটা বীরমুক্তিযোদ্ধার নামকরণ করার ইচ্ছে ১-তামাকপট্টি শহীদ নগদ ২- শীতলক্ষ্যা-আলামিন নগর সৈয়দপুর যায়, বাবু রাইল খালের মতো আরেকটি কাজ চলমান এ কাজগুলো করতে পেরে গর্ববোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩, ১৪ ও ১৫ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর শারমীন হাবিব বিন্নী বলেন, আমি মনে করি আল্লাহ আমাকে তার বান্দাদের সেবা করার জন্য এ পদে এনেছে। আমি কোন কাজ করতে গেলে, আমার ওয়ার্ডের জনগন আমাকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করে। কারন, কোন কাজ কারো পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। অনেক সময় দেখা যায় যে, যেই কাজটা করতে যাই ওইটা সম্পূর্ন করতে পারি না। কিন্তু আমি সবসময় চেষ্টা করি প্রতিটি কাজ সুন্দর ভাবে শেষ করার। আমার করা প্রতিটি কাজেই আমি গর্ব বোধ করি। আখরার ওইখানের রাস্তাটি আগে বৃষ্টি পরলেই, হাঁটু সমান ময়লা পানি জমে যেতো। মানুষের অনেক কষ্ট হতো। সেই রাস্তাটি আমাদের মেয়র মহোদয়ের সাহায্যে খুবই সুন্দর ভাবে রাস্তাটি নির্মান করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৬, ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর আফসানা আফরোজ বিভা বলেন, আল্লাহর রহমতে এখনো এমন কোন কাজ নেই, যা না করতে পেরে আমার কষ্ট লাগে। উন্নয়নটাই আমাদের গর্ব। যেখানেই কাজ শুরু করেছি, সেখানেই সফলতা পেয়েছি।

সাবেক কদম রসূল পৌরসভা ও বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের ১৯ থেকে ২৭ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ:

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ ফয়সাল সাগর বলেন, আমি বিগত চার বছরে আমার ওয়ার্ডের উন্নয়ন করতে গিয়ে ব্যাপক সাহায্য পেয়েছি। আর সামনে আমার ওয়ার্ডে যে হাসপাতালে বড় প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। এবং পানির যে সমস্যা আমার ওয়ার্ডে ছিলো তা সমাধান করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডে শুধু একটি হাসপাতাল ও একটি বিদ্যালয়ের প্রয়োজন রয়েছে। আমার ওয়ার্ডের কবরস্থানের কাজটি করতে পেরে আমি নিজের উপর গর্ব বোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ বলেন, যতটুকু প্রয়োজন আমি কাজ করছি। করোনার জন্য গত বছর পারি নাই, এর আগের ৩ বছর কাজ করছি। ৩ বছরে ওয়ার্ডে দুইটা খেলার মাঠ করতে পারছি, একটা প্রায় শেষ ও আরেকটি চলমান, এছাড়াও রাস্তায় লাইটের ব্যবস্থা করেছি। এতে আমি গর্ববোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান বলেন, চার বছরের মধ্যে ২০২০ সাল সর্বনাশা সংকটকাল ছিল। করোনা ভাইরাসের আগমনে অতীতের তুলনায় কাজ অনেকটাই কম হয়েছে এই বছরে। ধীরে ধীরে আমরা চেষ্টা করছি সেই সংকট কাটিয়ে উঠার। আমার এলাকায় কোন ব্যর্থতা বা কষ্ট নেই যা আমি করতে পারি নাই। আমার এলাকার সবগুলো উন্নয়নের কাজেই আমি সফল হয়েছি এজন্য আমি গর্ববোধ করি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন বলেন, আমি কাউন্সিলর হিসেবে আমার ওয়ার্ডে ৯ যাবত দায়িত্ব পালন করছি। বিগত ৪ বছরে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি । উন্নয়ন কর্মকান্ড কখনও শেষ হয় না, এটা চলমান প্রক্রিয়া। বাকি যে কাজগুলো বাকি আছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে শেষ করবো। ৯ বছরে প্রায় ৮ হাজার ৩শ প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কোন কাজে আমি বাঁধাগ্রস্থ হয় নি আল্লাহ রহমতে। নবীগঞ্জ গুদারাঘাট থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রোডটি করতে পেরে আমি গর্বিত।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুল বলেন, চার বছর পূর্ণ হলো কাজ কর্ম । করোনার জন্য সমস্যা হয়েছে, তারপরও কাজ করছি। বন্দর স্টিল মিল থেকে পারটেক্স মেইল পর্যন্ত হরিপুর পাওয়ার পয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তা করেছি। এটা নিয়ে গর্ববোধ করি। পাশাপাশি আমাদের ঈশা খাঁ আমলের ইটের পুল সেটা দিয়ে পারাপারের কোন সুযোগ নেই, ওটার উপর দিয়ে আরসিসি ঢালাই করছে এখন সেটা ব্যবহারযোগ্য, এগুলো করতে পেরে আমি গর্বিত। আমার একটা চাহিদা মদনপুর বাসস্ট্যান্ড মোড়ে একটা দর্শনীয় তোড়ন করে দেয়া হোক সিটি কর্পোরেশন থেকে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২২, ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর শাওন অংকন বলেন, যেভাবে জনগণ ভোট দিয়েছে তাদের জন্য কিছুই করতে পারি নাই মনে হয়। করতে পারলেও যতটুকু করেছি তাতে তৃপ্তি পাই নাই।

0
, , , , , , , , , , , ,