ধুম পরেছে ইদের কেনাকাটায়

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফেতর। আর এ উৎসব উদযাপনে জমজমাট হয়ে উঠেছে কেনাকাটা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখরিত নগরীর বিপনী বিতানগুলো। দম ফেলার সময় নেই ফুটপাতের দোকানিদেরও। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ বেশি ছুটছেন এসব দোকানে।


শনিবার (১ মে) ও রবিবার (২মে) নগরীর বিভিন্ন বিপনী বিতান ও মূল সড়ক ঘুরে এমন দৃশ্যে দেখা যায়। যেখানে বিক্রেতারা ভেবে ছিলো লকডাউনের কারনে তাদের লোকসানের কথা, সেখানে জমজমাট চলছে তাদের ব্যাবসা।

নগরীর অনেক মার্কেটেই ছিল ক্রেতাদের উপচেপরা ভীড়। দোকানে দাড়ানোর জায়গা না পেয়ে, বাইরে দাড়িয়ে থাকতেও দেখা গেছে অনেককে। একই অবস্থা ফুটপাতের দোকান গুলোতেও। ক্রেতার চাপ এতই বেশি ছিল, ওই সব রাস্তায় হাঁটাও মুশকিল। জুতা থেকে শুরু করে শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি-পিস, কসমেটিকস, পারফিউম এমন কোন দোকান নেই; যেখানে ভিড় ছিল না।

সমবায় মার্কেটের এক ব্যবসায়ি আশরাফুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, ‘আগের বারের লকডাউনের ধাক্কাও ঠিক মতো সেরে উঠতে না উঠতেই আবারো যখন লকডাউনের ঘোষনা করা হয়েছিলো, তখন ভেবেছিলাম এবার হয়তো সব গেলা। লাখ লাখ টাকার পন্য আগে থাকতেই কিনে রেখেছিলাম। লকডাউনের পর ভাবতে পারিনি এরকম বেচাকেনা হবে। ক্রেতার পরিমান অনেক বেশি। আগের বার যে ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়েছিলো, তা এবার হতে হবেনা’।

ইদের নতুন পোষাক ক্রয় করতে আসা এক নারী জানান, গত বছর লকডাউনের কারনে ইদটা উদযাপন করা হয়নি। এবার দেখি যদি একটু ভালো ভাবে ইদটা কাটাতে পারি। ছেলে মেয়েদের জন্য পোশাক কিনলাম। নিজের জন্য কিনলাম। করোনার ভয়াবহতা কম থাকার কারনে মার্কেটে আসতে পেরেছি।

 

যদিও কেনাবেচা চলছে ধুম ধাম, কিন্তু বেশির ভাগ স্থানেই দেখা যায়নি মাস্কের সঠিক ব্যবহার। দেখা যায়নি স্বাস্থ্য সচেতনতা। এরকম ভাবে চলতে থাকলে করোনার সংক্রামন আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের আরও নজরদারী বাড়ানো উচিত বলে মনে করছেন সবাই।

0