না.গঞ্জের ১১ মাদ্রাসা ও ৭ ব্যক্তি নজরদারী নি‌য়ে যা বললেন এসপি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কওমী মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জের ৭ নেতা ও ১১টি মাদ্রাসাকে নজরদারীতে রেখেছে গোয়েন্দারা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা নজরদারীতে থাকা মাদ্রাসা গুলোর অর্থ লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইউনিটের কাছে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা গুলো হলো-সানারপাড়ের নিমাই কাশরীরর জামিয়াতুল আবরার হাফিজিয়া মাদ্রাসা, নয়া আটি কিসমত মার্কেটে অবস্থিত আশরাফিয়া মহিলা মাদ্রাসা, সানারপাড় আব্দুল আলী দারুস সালাম হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা, মাদানীনগরের মাওলানা শাইখ ইদরীম আল ইসলামী, মাদানীনগরের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, নিমাই কাশারীর আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া নুরুল কোরআন মাদ্রাসা, মুক্তিনগর নয়াআটি ইফয়জুল উলুম মুহিউছউন্নহ আরবিয়্যাহ মাদ্রাসা, ভুইয়াপাড়া জামিয়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসা, সাইনবোর্ড জামিয়াতুল ইব্রাহিম মাদ্রাসা, মারকুজুল তাহরিকে খাতমি নবুয়াত কারামাতিয়া উলুম মাদ্রাসা এবং সিদ্ধিরগঞ্জ সুমিলপাড়া নুরে মদিনা দাখিল মাদ্রাসা।

জানা গেছে, এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালনায় দেশের বাইরে ও ভেতর থেকে যেসব অনুদান এসেছে, তার পরিমাণ এবং কোথায় কীভাবে এই সব অর্থ ব্যয় হয়েছে তার হিসাব নেই। অনুদানের অর্থ মাদ্রাসার ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার কথা থাকলেও বহু মাদ্রাসার ব্যাংক হিসাবই খোলা জায়গা থেকে টাকা পয়সা এসেছে, সেসব বিষয়ে অনুসন্ধানে অনেক তথ্য জানা যাচ্ছে। কিন্তু কোন কোন খাতে এসব অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, সে সব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে, কওমী মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের অর্থ সম্পাদক মনির হোসেন কাসেমীসহ নারায়ণগঞ্জের ৭ নেতাকে নজরদারীতে রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, যারা রাস্ট্র বিরোধী কার্যক্রমের সাথে জড়িত, সে যে মাদ্রাসা বা যেখানেই হক। তাদের প্রতিষ্ঠান বা তাদের ক্ষেত্রে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করেছি। এ গুলো অব্যহত থাকবে।

0