না.গঞ্জে কাদের কারণে বঙ্গবন্ধুর বদনাম হয়েছিল বলে দিব: খোকন সাহা

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: এ শহরের ৫০ বছরের ইতিহাস আমি জানি। অনেকেই ভুলে গেছেন, আমি ভুলি নাই। ৭৫ এর পরে শামীম ওসমানের সাথে রাজনীতি করি এবং আমরা দল করতে এসেছি। সত্য কথা বলার অপরাধে মামলা দিয়েছেন, কোনো আপত্তি নাই। আমি নারায়ণগঞ্জের ভাষায় বলি `চুলকানি’, যেটা অনেকের পছন্দ হয় না। বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না, `চুলকাবেন’ না। ৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির জনকের সরকারের কিছু বদনাম হয়েছিল, নারায়ণগঞ্জও তার ব্যতিক্রম নয়। নারায়ণগঞ্জে কাদের কাদের কারণে বঙ্গবন্ধুর সরকারের বদনাম হয়েছিল সব কিন্তু বলে দিব।

২৬ ফেব্রুয়ারি( শুক্রবার) বিকেলে এনসিসি’র ২৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিকদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ, বন্দর থানা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খোকন সাহা উপরোক্ত কথা বলেন।



অনুষ্ঠানে মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির মৃধার সঞ্চালনায় ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ বন্দর থানা শাখার সভাপতি মুজাহিদ কবীর মৃধার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ শামীম ওসমানের সহধর্মিনী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি।

খোকন সাহা বলেন, মুখে তালা লাগিয়ে রেখেছি শামীম ওসমানের কথায়। বলতে গেলে শামীম ওসমান বলে, চুপ। কয়দিন আটকিয়ে রাখবে শামীম ওসমান? বলেই দিব একবার। আমি ২৬ বছর ধরে এই শহরে আছি, তাই আমি সকল ইতিহাস জানি। যারা ইট খুলতে চান, কোন বাড়িটির ইট খুলবেন? যে বাড়িতে ভাষা আন্দোলনের সভা হয়েছিল, আওয়ামী লীগের গঠন করার বিষয়ে সভা হয়েছিল সে বাড়ির ইট খুলতে চান?

খোকন সাহা আরও বলেন, ‘জিউস পুকুর দখল করবেন, হবে না। মেয়রের বক্তব্য মিথ্যা, ভিত্তিহীন। কারা তথাকথিত দলিল করে দিলো? দেবোত্তর সম্পত্তি, ওয়াক্ফা স্টেটের সম্পত্তি কিন্তু হস্তান্তর হয় না। শুভঙ্করের ফাঁকি আমাদের দিবেন না, আমরা সব জানি। আপনার নানার সম্পত্তি পাওয়ার কথা আপনার বাবার কিন্তু আপনার চাচা কীভাবে পাবে? এরশাদ, খালেদা জিয়ার আমল থেকে অনেক মামলা ও পিটুনি খেয়েছি। আমি যদি আপনার বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা করি তাহলে পার পাবেন না। আপনি যে ভুল করেছেন সে ভুল আমি করি নাই।’

এ সময় আরও উপস্থিত বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাদারন সম্পাদক কাজিম উদ্দিন প্রধান, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, ইশরাত জাহান খাঁন স্মৃতি, ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, ২৬ নং ওর্য়াড আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনুু, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু, আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন, শহিদুল হাসান মৃধা, য়ুবলীগ নেতা ফারুক প্রধান, মহানগর ছাত্র লীগের সহ সভাপতি রাজু আহম্মেদ সুজন, রমজান মিয়া, আক্তার হোসেন, জিয়াবুল হাসান বাবু, শ্যামল মৃধাসহ ভাষা সৈনিকদের পরিবারের লোকজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানে ৯ জন ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মরণোত্তর ৮ জন মফিজুল ইসলাম, হাজী আশেক আলী মৃধা, শফিউল্লাহ মৃধা, হাজী মোঃ হাসান, আহসান উল্লাহ মৃধা, ফুলমিয়া চৌধুরী, আলাউদ্দিন, ইউনুস খাঁন। এবং জীবিত এম এ আসগরসহ ৯জন ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

0