নূর হোসেন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সৈয়দপুরে ধলেশ্বরী নদীর তীর ভরাট

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নদীর জমি লীজ, বন্দোবস্ত, বিক্রয় কিংবা অধিগ্রহণ করা যাবে না; উচ্চ আদালতের এমন নির্দেশনা থাকার পরেও গোগনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর হোসেন সওদাগরের নেতৃত্বে চলছে নদী ভরাটের কার্যক্রম।

নদীর জমি ভূমিহীনদের নামে বন্দোবস্ত দেওয়া প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৪ মে) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর স্মারকলিপি করেছে সৈয়দপুর এলাকার দুই বাসিন্দা। এর অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও এসিল্যান্ড সদরকে।

মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন নং ৩৫০৩/২০০৯ এর নির্দেশনা অনুযায়ী, নদী বলতে সিএস ম্যাপে উল্লেখিত যে স্থান নদী প্রদর্শণ করা হয়েছে, সেটা নদী হিসেবেই ধরা হবে। নদীর জমির শ্রেণির পরিবর্তন বা পরিবর্ধন যোগ্য নয়। কোনভাবেই বন্দোবস্ত, শ্রেণির পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাবে না।

স্মারকলিপি জানানো হয়েছে, সৈয়দপুর মৌজায় সিএস-৬০১, এসএ-১০৪৪, ১০৩৮, আর এস-১০০৪, ৯৯৮ নং দাগের ৫৮ শতাংশ জমিটি ধলেশ্বরী নদীর অংশ। জমির ম্যাপ কাগজপত্র থেকে যথার্থ স্পষ্ট জমি গুলো নদীরই। কিন্তু সেখানে গৃহহীন বা ভূমিহীনদের গৃহ নির্মাণ করে বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য গত ২৯ এপ্রিল সাইনবোর্ড ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এবং ১ মে থেকে গোগনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর হোসেন সওদাগরের নেতৃত্বে সেখানে ভরাট কার্যক্রম চালাচ্ছেন। যা উচ্চ আদালতের নির্দেশ অবমাননাও।

সরেজমিনে সাংবাদিকরা গিয়ে দেখতে পেয়েছে, গোগনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর হোসেন সওদাগরের নেতৃত্বে সুবিধাভোগী মহল সরকারি অফিসকে ভুল বুঝিয়ে যোগসাজসে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের আদেশ ও নির্দেশনা অমান্য করে নদীর জমি বন্দোবস্ত দেওয়া ও ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাট করে গৃহনির্মাণের পায়তারা করছে।

এ বিষয়ে গোগনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর হোসেন সওদাগর জানান, ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে আমি সদস্য মাত্র। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার। আপনারা চাইলে, তাদের সাথে কথা বলতে পারেন। তারাই ভালো বলতে পারবে।’

0