প্রেমের টানে কিশোরীর পলায়ণ, মামা আটক  

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বয়স তেমন একটা না, এখনো স্কুলে পড়াশোনা করে কিশোরী। স্থানীয় যুবক জনীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। করোনা কালীন সময়ে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় আরও মজবুত হয়ে উঠে তাদের সম্পর্ক। এক সময় সিদ্ধান্ত নেয় ভালোবাসাকে জয় করতে হলে এবং সমাজের স্বীকৃতি পেতে হলে বিয়ে করতে হবে। তাই ভালোবাসার মানুষের সাথে পলায়িত হয় সেই কিশোরী। পরে তাদের ভালোবাসার সাক্ষি করার জন্য জনী তার মামা মাসুদকে ডাকে। মামা এসে কিশোরীকে দোষারোপ করে, কিশোরীর গালে চর দেয়। পর দিন সেই কিশোরী চলে আসে বাসায়। পরে কিশোরীর পরিবার বিষয়টি অবগত হলে জনীর বিরুদ্ধে অপহরণের একটি মামলা করা হয়, সাথে অভিযুক্ত করা হয় মামা মাসুদকেও।

গত ১২ জুন বন্দরের মদনপুর বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৪ জুন) অভিযান চালিয়ে বন্দর থানা পুলিশ সেই মামা মাসুদ(২০)’কে মদনপুর থেকে আটক করে। মাসুদ বন্দর উপজেলা মদনপুর এলাকার আনোয়র মিয়ার ছেলে। পরদিন আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার (১৫ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলি থেকে মামলার প্রধান আসামী জনী (২২)’কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জনী বন্দরের পশ্চিম কেওঢালা এলাকার আবদুল গাফফারের ছেলে।

ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমান লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানান, প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ১২ জুন বিকেলে বন্দরের মদনপুর বাজার এলাকা স্কুল পড়ুয়া কিশোরী(১৩)’ও জনী(২২) পালিয়ে যায় । পরদির সেই কিশোরী আবার চলে আসে তার পরিবারের কাছে। এরপর কিশোরীর পরিবার থেকে জনীর বিরুদ্ধে একটি অপহর মামলা করে এবং জনীর মামা মাসুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে যে, কিশোরীকে চর মারার। আমরা প্রাথমিক ভাবে চর মারার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি এবং সোমবার (১৪ জুন) মাসুদকে আটক করেছি। পরদিন অপহরণের অভিযুক্ত জনীকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। কিশোরীর মেডিক্যাল পরিক্ষা করে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামীদের ইতিমধ্যে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

0