মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে স্কুল ছাত্র, অর্থের অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত

ফতুল্লার বক্তাবলীর স্কুল ছাত্র ইউসুফ (৮) মারাত্মক একটি দূর্ঘটনায় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়লেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না পরিবার। বাবা বাড়ি বাড়ি ফেরি করে বিস্কুট বিক্রি করে কোন রকম সংসার চালিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছে। স্কুল ছাত্র ইউসুফের চিকিৎসা করাতে কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন তাই বাবা হিসাবে আব্দুস সামাদের চিকিৎসা খরচ বহন করা খুব কষ্ট হয়ে পড়েছে। এতে করে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন ছেলেটির বাবা সামাদ।

ইউসুফ ফতুল্লার বক্তাবলীর প্রসন্ন নগর এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে। সে প্রসন্ন নগর এলাকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্র।

সামাদ জানান, গত ৭ এপ্রিল রোববার ইউসুফ বক্তাবলীর প্রসন্ননগর এলাকাস্থ গাজী মার্কেটের সামনে রাস্তা পাড় হচ্ছিল একটু দ্রুতগামী ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক স্কুল ছাত্র ইউসুফকে চাপা দেয়। সেই দূর্ঘটনায় ইউসুফের মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়। তাকে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হলেও তার মাথায় আঘাতের কারনে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। তখন ইউসুফকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হলেও সেখানকার ডাক্টার জানিয়েছেন তার মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ব্রেন্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইউসুফের ব্রেন্টের সমস্যার কারনে ব্যাথার যন্ত্রনায় দিন রাত ছটপট করে কান্না করতে থাকে। তার কান্না কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। গত এক সপ্তাহে ইউসুফের চিকিৎসা বাবদ প্রচুর টাকা খরচ করা হয়ে গেছে। নিজের রোজগারসহ রক্ষিত যা টাকা ছিল সবই শেষ হয়ে গেছে। ছেলের চিকিৎসা খরচ বহন করতে পারছে না। একার উপার্জনে এক ছেলে তিন মেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালানো অনেক কষ্টকর। তাই ছেলের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে তিনি।

স্কুল ছাত্র ইউসুফের চিকিৎসার জন্য সমাজের কোন বিত্তবান যদি সাহায্যের হাত বাড়াতে চান তাহলে সামাদের মোবাইল নং-০১৮৫৮৭৪৪৮৩৭ ও (০১৮৬৮৬৩৩৫৩৯ বিকাশ) যোগাযোগ করার অনুরোধ জানায় আব্দুস সামাদ।