মোবাইলের আলোতেই না.গঞ্জের দুই হাসপাতালে চলে ছিলো চিকিৎসা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে রোগী; তাঁর পাশে এক হাতে মোবাইলের লাইট, অন্য হাতে সেবা হাতপাখা নিয়ে ব্যস্ত স্বজন। নার্সরাও বসে আছে অন্ধকারে।

হাসপাতালে কি জেনারেটর নেই? এমন প্রশ্নে করতেই ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কর্মরত নার্স বললেন, জরুরী বিভাগে যেতে হবে।


জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকেই এমন চিত্র নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে। সন্ধ্যার পর এই চিত্র আরো ভয়ঙ্কর হয়েছে।

একই অবস্থা খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের। প্রতিষ্ঠানটিতে জেনারেটরের মাধ্যমে সেবা অব্যাহত রেখেছে। বিদ্যুৎ যাওয়ার ৫ ঘণ্টা পরও ফিরে না আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পড়েছেন বিপাকে।

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় হওয়ায় দুপুর ২টা থেকেই নারায়ণগঞ্জে কোন গুলো বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসাপাতালে জরুরী বিভাগে বাহিরের অংশে একটি মাত্র চার্জিং লাইট জ্বলছে। চিকিৎসকও বসে আছে অন্ধকারে। আর খানপুর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, জেনারেটর চলছে। জেনারেটরের ওপর চাপ কমাতে এসি ও অপ্রয়োজনীয় লাইট-ফ্যান বন্ধ রাখা হয়েছে।

হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান, পেট্রল পাম্পগুলো থেকে ডিজেল নেওয়া যাচ্ছে না। ডিজেল না পেলে জেনারেটর সার্ভিসও বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া বেশিক্ষণ একটানা জেনারেটর সার্ভিস দিতে পারে না।