রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ার সুযোগ নেই: মোহাম্মদ হাতেম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বাংলাদেশের বাজারে ডলারের অস্থিরতা ও জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য, নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ব্যবসাবাণিজ্য ও শিল্পকারখানায়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটও একই সময় হানা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। তবুও মিলছে না স্বস্তি।

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে। ফলে দেশের সর্বত্র পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং চলছে। এমন অবস্থায় রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধির আশা খুব কম দেখছেন শিল্প উদ্যোক্তারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের নিট পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ‘র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গনমাধ্যমকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, রপ্তানির প্রবৃদ্ধি আগামী দিনে কমে যাবে। এমনিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব চলছে। মন্দা এগিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ার সুযোগ নেই। এর মধ্যে গ্যাস সংকট ও লোডশেডিং আরও উৎপাদন ব্যাহত করছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দুটি সমস্যা রয়েছে-এক. ডলার সংকট; দুই. মূল্যস্ফীতি। শুধু আন্তর্জাতিক কারণে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এটি সঠিক নয়। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধিও মূল্যস্ফীতিতে অবদান রাখছে। বাজেট সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফলে বর্তমান মূল্যস্ফীতি ৭.৪ শতাংশ বিরাজ করলে আগামী দিনে আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে সরকার বছরের শুরুতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃচ্ছ সাধন, আমদানি নিরুৎসাহিত এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে লোডশেডিংয়ের মতো বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সঠিকভাবে এসব বাস্তবায়িত হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্য ঘাটতি ও আমদানি ব্যয় কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।