রূপগঞ্জে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে।


বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাতে করা মামলায় আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মিজানুর রহমানসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

হামলার শিকার পরাজিত ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনের বোন সালেহা ভূঁইয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি হলেন মামলার আসামি ও কায়েতপাড়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১১ নভেম্বরের কায়েতপাড়া ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রাতে মোশারফ হোসেনের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীরা সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে লোকজনকে মারধর করে বাড়িতে আগুন দেন। হামলার সময় ওই বাড়ির দুই সদস্য ছররা গুলিতে ও পাঁচ সদস্য ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম করা হয়েছেন। এ সময় বাড়ি থেকে অন্তত ৩১ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় মোশারফ হোসেনের বোনের ছেলে রেনু মিয়া নিখোঁজ বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় মিজানুর ছাড়াও তাঁর ভাই সফিকুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনের নাম আছে। মামলার আসামিরা সবাই মিজানুরের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। মিজানুর রহমান কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। ১১ নভেম্বরের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জায়েদ আলীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মিজানুর নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকার পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) আবির হোসেন গনমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার রাতেই জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছিল। গতকাল রাতে মামলা হওয়া পর জসিমকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।