শহরে রমজানের প্রথম জুম্মায় মুসুল্লিদের ঢল…

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: চলমান লকডাউনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জুমা ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ এবং প্রার্থনার আগে ও পরে মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা আছে। তবুও তা অমান্য করছেন মুসুল্লিরা। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই মসজিদে প্রবেশ করছেন। নেই কারোর মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা। অনেকের মুখে মাস্ক পরিধান না করেই গা ঘেঁষে নামায আদায় করেছে। এতে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা বেশী।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) জুমার নামাযের সময় শহরের বিভিন্ন মসজিদে এই ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। প্রশাসনের কোনো তৎপরতা না থাকায় এই নারায়ণগঞ্জ আবারো হয়ে উঠতে পারে করোনার হটস্পট। মৃত্যুর মিছিল থামাতে হিমশিম খাবে সরকার- এমনটাই মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মসজিদের ইমাম বলেছেন, আমরা এই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই প্রত্যেক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করছি। পাশাপাশি মুসুল্লিদের বাড়িতে থেকে নামাজ আদায়ের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আজকে এই মাহে রমজানের প্রথম জুমা তাই সবাই মসজিদে নামাজ আদায় করেছে। আমরা আজানের পর সবাইকে বাসায় নামাজ আদায় করার জন্য বলে দেই। পাশাপাশি যারা মসজিদে আসে তাদের মাস্ক পারিধান করে ঢুকতে বলা হয়েছে। কিন্তু মানুষের মধ্যে সচেতনতা কম তাই অনেকেই এই নিয়মকে মানতে চায় না।

এর আগে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের সব মসজিদে জুমা ও ওয়াক্তের নামাজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আগে ও পরে গণজমায়েত নিরুৎসাহিত করতে এ অনুরোধ করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত মানতে অনুরোধ করেছিল ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মসজিদে তারাবিসহ অন্যান্য নামাজ আদায়ের সময় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনার সময় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে গত সোমবার যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোও মেনে চলতে অনুরোধ করা হয়। নির্দেশনা মানা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

0