শহীদ বেদির পাশে টয়লেট, চোখের পানি ধরে রাখা মুশকিল: চন্দন শীল

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ২০০১ সালে বোমা হামলায় আহত হওয়া নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন শীল বলেছেন, ২০ বছর আগে যে জায়গাটিতে বর্বরোচিত বোমা হামলা সংঘটিত হয়েছিল, সেই জায়গায় শহীদদের স্মরণে এবং আহতদের সম্মানে তৈরি হয় একটি শহীদ বেদি। প্রতি বছর এখানে হতাহতের পরিবারের বিচার প্রার্থী সদস্যরা আসেন শ্রদ্ধা জানাতে । আজও তারা এসেছেন কিন্তু প্রথমেই দেখেন শহীদ মিনার তালাবদ্ধ। ক্ষুব্ধ জনতা তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এতটুকুই শেষ নয়। একেবারে শহীদ বেদি ঘেঁষে সিটি করপোরেশনের পাবলিক টয়লেট। জঘন্য এই কাণ্ডে দুঃখে, কষ্টে চোখের পানি ধরে রাখা মুশকিল আমাদের। গত বছরও স্মৃতিস্তম্ভ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছিল সিটি করপোরেশন।

২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাড়ায় বোমা হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (১৬ জুন) সকালে চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে উপস্থিত হয়ে চন্দন শীল এসব কথা বলেন।

এ সময় চন্দন শীল বলেন, আজকে ২০ বছর হয়ে গেলো এই নৃশংস ঘটনার এখনো কোনো বিচার পাইনি আমরা। আমরা জানি বাংলাদেশের বিচার কাজে একটু ধীর গতি রয়েছে। আমরা জাতির জনককে হত্যার বিচার পেয়েছি ৩০ বছর পরে। আমরা ধৈর্য ধরে আছি, নিশ্চয়ই একদিন এর ন্যায্য বিচার আমরা পাবো। আর বিচারের কিছু বিষয় রয়েছে যারা আসামি তাদেরকে আদালতে হাজির করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে সাক্ষ্য দিয়েছিলাম আদালতে তা ও পাল্টে দেয়া হয়েছে। আমাদের সন্দেহ প্রশাসনের কোনো লোক এই মৌলবাদীদের সাথে জড়িত আছে। এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানাই। আমরা সরকারের কাছে আবারো দাবী জানাই মুরসালীন মুত্তাকিনকে অতি দ্রুত যেন দেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং এই ঘটনার দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করা হোক।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদা মালা, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনু, সাবেক পিপি অ্যাড. ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রধান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদসহ নিহতের স্বজন এবং আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0