৭ বছরের শিশু ধর্ষণে রক্তক্ষরণ, রিক্সা চালক গ্রেপ্তার

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আড়াইহাজারে পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীর শিশু কন্যা (৭)কে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক রিক্সা চালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে আড়াইহাজার থানা পুলিশ। বুধবার (২২জুন) রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলার আড়াইহাজার পৌরসভার শাহজাহান সাহেবের বালুর মাঠে ওই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রিক্সা চালকের নাম, বাচ্চু মিয়া(৪৬)। সে নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধিন শিবেরকান্দা এলাকার মৃত কলিমউদ্দিনের ছেলে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতার মা আড়াইহাজার পৌরসভার একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও উপজেলার ফকিরবাড়ি এলাকার আরিফের ভাড়াটিয়া। বাচ্চু মিয়া র্দীঘদিন ধরেই শিশুকে চকলেট বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার কিনে খাওয়াতো। এনিয়ে শিশুর মায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার তার বাকবিতন্ডা হয়। তাকে এসব কিনে না দেওয়ার জন্য বলা হয়। তাতে সে থামেনি। সুযোগ পেলেই তাকে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে রিকশা দিয়ে ঘুরে বেড়াতো বাচ্চু মিয়া। ঘটনার দিন রাত ১২টার দিকে আড়াইহাজার বাজার সংলগ্ন পৌরসভা সড়কে পরিচ্ছন্নতার কাজ করার সময় মায়ের সাথে শিশুটি ছিল। শিশুটি মায়ের কর্মক্ষেত্রের পাশে রাস্তায় খেলা করছিল। ঐ সময় মায়ের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রিক্সা চালক বাচ্চু মিয়া শিশুটিকে মজা কিনে দেওয়ার কথা বলে রিক্সায় তুলে নিয়ে যায়। শিশুটিকে রাতে পৌরসভার আড়াইহাজার বাজারের পাশে শাহজাহান সাহেবের বালুর মাঠে নিয়ে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে ও রক্তক্ষরণ হলে ধর্ষক বাচ্চুমিয়া শিশুটিকে থানার পাশে সড়কে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। ঐ সময় শিশুটির মা শিশুটির চিৎকারে সামনে এসে তার অবস্থা দেখে তাকে কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করলে শিশুটি ধর্ষণের ঘটনা জানান। পরে শিশুটিকে মূমূর্ষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল হক হাওলাদার জানান, থানায় ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত ধর্ষক বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।